গাইবান্ধায় বিএনপির পাশে নেই জামায়াত

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৯:০২
গাইবান্ধা পৌরসভায় মেয়র পদে এবার সাতজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই প্রার্থী ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন পাঁচজন। এখানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী নেই। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ অবস্থানে আছে। আওয়ামী লীগ তার মহাজোটকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে।
 
অন্যদিকে বিএনপি ২০ দলীয় জোটকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারায় পাশে নেই জামায়াত। জামায়াতে ইসলামীর প্রথম সাড়ির নেতা হিসেবে পরিচিত একজনস্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করছেন।
 
জেলা যুবলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবির মিলন এবার আওয়ামী লীগ দলীয় মেয়র প্রার্থী। জেলায় দীর্ঘদিন ধরে দলে বিভক্তি থাকলেও এবার মিলনের প্রার্থীতা নিয়ে কোনো বিরোধ নেই। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ অঙ্গ সংগঠনের সবাই এবার দলীয় প্রার্থীর পক্ষে মাঠে নেমেছেন। এমনকি মহাজোটের সভায়ও মিলনের পক্ষে সমর্থন মিলেছে বলে জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. সৈয়দ শামস্ - উল আলম হীরু।
 
এদিকে বিএনপি দলীয় প্রার্থী শহর বিএনপির সভাপতি শহীদুজ্জামান শহীদের ক্ষেত্রে বিএনপি ঐক্যবদ্ধ অবস্থানে আছে বলে শহীদুজ্জামন শহীদ জানান। শহীদ বলেন,  ‘জেলা বিএনপির সভাপতি আনিসুজ্জামান খান বাবু এবং গুরুত্বপূর্ণ নেতা-কর্মীরা মামলার কারণে আত্মগোপনে থাকায় নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারছেন না।’  তিনি আরো বলেন, ‘জামায়াত নেতা একেএম ফেরদৌস আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করলেও জামায়াতের সমর্থন আমার পক্ষেই আছে।’ কিন্তু জামায়াত নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী ফেরদৌস আলম বলেন, ‘বিএনপি প্রার্থী শহীদ্জ্জুামান নিতান্তই বিএনপির প্রার্থী, তিনি ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী নন। জামায়াতের লোকজনের সমর্থন আমার পক্ষেই আছে, তারা আমার সঙ্গে কাজ করছে। বরং বিএনপির দলীয় লোকজন বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে মাঠে রয়েছেন।’
 
পর্যবেক্ষক মহলের ধারণা, এবার আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থীসহ মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকবেন গাইবান্ধা পৌরসভার বর্তমান মেয়র স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শামছুল আলম। যিনি ছাত্র জীবনে ছাত্র ইউনিয়ন নেতা ছিলেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার-উল-সারওয়ারও লড়াইয়ে থাকবেন। এছাড়া জামায়াত নেতা হিসেবে পরিচিত স্বতন্ত্র প্রার্থী কেএম ফেরদৌস আলম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মির্জা হাসান এবং মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট সরদার রোকনুজ্জামান রয়েছেন নির্বাচনী মাঠে।