ভারতে হত্যা, ধর্ষণ ও এসিড নিক্ষেপের মত জঘন্যতম অপরাধের ক্ষেত্রে নাবালকদের বয়সসীমা আঠারো থেকে কমিয়ে ষোলো করার লক্ষ্যে আনা একটি বিল মঙ্গলবার পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভায় পাস হয়েছে।
ফলে এখন থেকে ধর্ষণ, খুনের মতো ঘৃণ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের বদলে ১৬ বছর বয়স থেকেই অপরাধীকে প্রাপ্তবয়স্ক গণ্য করে শাস্তি দেয়া হবে। জঘণ্য অপরাধে অন্তত ৭ বছরের জেল হবে। তবে ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের আমৃত্যু কারাদণ্ড বা ফাঁসির শাস্তি হবে না।
দিল্লির চলন্ত বাসে চাঞ্চল্যকর মেডিকেল ছাত্রী গণধর্ষণের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত একজন অনূর্ধ্ব আঠারো বছর বয়সী অপরাধী মাত্র তিন বছর সংশোধনাগারে কাটিয়ে রবিবার মুক্তি পাওয়ার পর দেশব্যাপী যে প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, সেই পটভূমিতেই ‘নাবালক বিচার সংশোধন বিল’টি নিয়ে আলোচনা এগিয়ে আনা হয়।
এখন বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সই করলেই এটি আইনে পরিণত হবে। তবে, সংশোধিত আইনটি সদ্য মুক্তি পাওয়া ধর্ষকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হচ্ছে না।
ভবিষ্যতে, ১৬ বছর বয়স হওয়া যে কোনো অপরাধীর ক্ষেত্রেই এ আইন প্রযোজ্য হবে।
অপরাধের মাত্রা বিচার করে বিশ্বের অনেক দেশই জঘণ্য অপরাধের ক্ষেত্রে নাবালক ও প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে শাস্তির ফারাক রাখেনি। শেষপর্যন্ত জনমতের চাপের মুখে সেই পথে এগোল ভারতও।
মঙ্গলবার পার্লামেন্টে এই বিলের পক্ষে ও বিপক্ষে, দুই দিকেই সংসদ সদস্যরা জোরালো বক্তব্য রেখেছেন।
বিতর্ক চলাকালীন ধর্ষিতা মেডিকেল ছাত্রীর বাবা-মাও সভার দর্শকাসনে উপস্থিত ছিলেন। বাসস
