রাজশাহীতে ৯টিতে আওয়ামী লীগ ও ৪টিতে বিএনপি সমর্থিতরা মেয়র নির্বাচিত

আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫, ০১:৫১
রাজশাহীর ১৩টি পৌরসভার নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। সবগুলো পৌরসভার বেসরকারী ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে আওয়ামী লীগ সমর্থিতরা ৯টি এবং বিএনপি সমর্থিতরা ৪টি মেয়র পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
ভবানীগঞ্জ: আওয়ামীলীগ সমর্থিত আব্দুল মালেক মন্ডল ৯৮১ ভোটে বেশি পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নৌকায় পেয়েছেন ৫ হাজার ৮৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি সমর্থিত বর্তমান মেয়র আব্দুর রাজ্জাক প্রাং ধানের শীষে পেয়েছেন ৪ হাজার ৯০৩ ভোট।
তাহেরপুর: আওয়ামীলীগ সমর্থিত আবুল কালাম আজাদ ৪ হাজার ৭৬৫ ভোট বেশি পেয়ে মেয়র পুননির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নৌকায় পেয়েছেন ৭ হাজার ৯৪৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির আবু নঈম মো. শামসুর রহমান মিন্টু ধানের শীষে পেয়েছেন ৩ হাজার ১৮১ ভোট।
কেশরহাট: আওয়ামীলীগ সমর্থিত শহীদুজ্জামান ২ হাজার ৩৪৭ ভোট বেশি পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নৌকায় পেয়েছেন ৭ হাজার ৩৪৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতের (স্বতন্ত্র) ডা. হাফিজুর রহমান আকন্দ জগে পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৯৬ ভোট। বিএনপির সমর্থিত বর্তমান মেয়র আলাউদ্দিন আলো ধানের শীষে পেয়েছেন ১০১ ভোট।
কাকনহাট: আওয়ামীলীগ সমর্থিত আব্দুল মজিদ মাস্টার ১ হাজার ৩৬৫ ভোট বেশি পেয়ে মেয়র পুননির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নৌকায় পেয়েছেন ৫ হাজার ৮০৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির হাফিজুর রহমান ধানের শীষে পেয়েছেন ৪ হাজার ৪৪০ ভোট।
দুর্গাপুর: আওয়ামীলীগ সমর্থিত তোফাজ্জল হোসেন ৩ হাজার ৩৬১ ভোট বেশি পেয়ে মেয়র পুননির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নৌকায় পেয়েছেন ৮ হাজার ৮৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী হাসানুজ্জামান সান্টু জগে পেয়েছেন ৪ হাজার ৭২৭ ভোট। বিএনপি সমর্থিত সাইদুর রহমান মন্টু ধানের শীষে পেয়েছেন ৪ হাজার ২ ভোট।
আড়ানী: আওয়ামীলীগ সমর্থিত মুক্তার আলী ২ হাজার ৪৪৮ ভোট বেশি পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নৌকায় পেয়েছেন ৫ হাজার ১৯৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি সমর্থিত তোজাম্মেল হক ধানের শীষে পেয়েছেন ২ হাজার ৭৫০ ভোট। বর্তমান মেয়র (বিএনপির বিদ্রোহী) নজরুল ইসলাম মাস্টার মোবাইলে পেয়েছে ২ হাজার ৩৩২ ভোট।
গোদাগাড়ী: আওয়ামী লীগ সমর্থিত মনিরুল ইসলাম বাবু ৪ হাজার ৮০ ভোট বেশি পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ১০ হাজার ৩৮৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি সমর্থিত আনোয়ারুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৩০৪ ভোট। জামায়াতের (স্বতন্ত্র) বর্তমান মেয়র আমিনুল ইসলাম জগে পেয়েছেন ৪ হাজার ১৩০ ভোট।  
মুন্ডুমালা: আওয়ামীলীগ সমর্থিত গোলাম রাব্বানী ১ হাজার ৮০৯ ভোট বেশি পেয়ে মেয়র পুননির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নৌকায় পেয়েছেন ৬ হাজার ৪৫৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি সমর্থিত ফিরোজ কবির পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৪৬ ভোট।
নওহাটা: বিএনপি সমর্থিত শেখ মকবুল হোসেন ১ হাজার ১০৪ ভোট বেশি পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষে পেয়েছেন ১২ হাজার ৭৮৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলীগ সমর্থিত আব্দুল বারী খান নৌকায় পেয়েছেন ১১ হাজার ৬৭৯ ভোট। 
কাটাখালি: আওয়ামীলীগ সমর্থিত আব্বাস আলী সরদার ১ হাজার ৭৫২ ভোট বেশি পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি নৌকায় পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৮৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি জামায়াতের (স্বতন্ত্র) বর্তমান মেয়র অধ্যাপক মাজিদুর রহমান পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৩৭ ভোট। এছাড়া বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মাসুদ রানা ৩ হাজার ৭২৩ ও বিএনপির বিদ্রোহী অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম ২১ ও মাহবুবুর রহমান ডলার ৩৯০ ভোট পেয়েছেন।
চারঘাট: বিএনপি সমর্থিত জাকিরুল ইসলাম বিকুল ১০৬ ভোট বেশি পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষে পেয়েছেন ৭ হাজার ৫০২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলীগ সমর্থিত বর্তমান মেয়র মোসা নার্গিস খাতুন পেয়েছেন ৭ হাজার ৩৯৬ ভোট।
তানোর: বিএনপি সমর্থিত মিজানুর রহমান মাত্র ১৩ ভোট বেশি পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষে পেয়েছেন ৮ হাজার ৫৯৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলীগ সমর্থিত ইমরুল হক নৌকায় পেয়েছেন ৮ হাজার ৫৮৪ ভোট।
পুঠিয়া: বিএনপি সমর্থিত আসাদুল হক ২৭১ ভোট বেশি পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ধানের শীষে পেয়েছেন ৪ হাজার ৪০২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের রবিউল ইসলাম রবি নৌকায় পেয়েছেন ৪ হাজার ১৩১ ভোট। এছাড়া আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী জিএম হীরা বাচ্চু নারকেলগাছে পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ ভোট।