শেভ করার ক্ষেত্রে অধিকাংশ পুরুষ খেয়াল রাখেন তিনটি উপাদানের কথা : শেভিং ক্রিম, ভাল রেজার এবং আফটার শেভ লোশন। অনেকে অবশ্য এই তিনটি উপদান ব্যবহারের ক্ষেত্রেও খুব একটা খেয়াল রাখেন না।
কিন্তু আপনার চোয়াল এবং চেহারার বৈশিষ্ট্যগুলোকে ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে হলে এইগুলোই যথেষ্ট নয়। এ ছাড়াও ইনগ্রোন হেয়ার, রেজর বার্ন এবং কাটাছেঁড়ার সমস্যাগুলো কমাতে আরো কিছু কাজ আপনি করতে পারেন শেভের আগেই। ফ্যাশন সচেতন পুরুষ হলে কাজগুলো করতে পারেন আপনিও। এই জিনিসগুলো ব্যবহার করলে আফটারশেভ ব্যবহার দরকার নাও হতে পারে আপনার জন্য।
বিয়ার্ড অয়েল
বিয়ার্ড অয়েল বা অন্য কোন তেল ব্যবহার করলে আপনি বেশ ভালো একটি সুবিধা পাবেন। এটা আপনার ত্বক এবং দাড়িকে নরম করবে। এতে বিভিন্ন অর্গানিক অয়েল, ভিটামিন ই এবং অ্যালো ভেরা থাকে যেগুলো ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতেও সহায়ক।
টনিক
নাপিতের কাছে গিয়ে যারা ক্ষৌরী করান তারাই জানেন অন্য কারও হাতে শেভ করার অভিজ্ঞতা কতোটা রিল্যাক্সিং। বাড়িতে নিজেও এই আরামদায়ক অনুভূতি পেতে পারেন টনিক ব্যবহার করে। টনিক একটা টাওয়েলে স্প্রে করে এটা মুখে ধরে রাখুন ৩০ সেকেন্ড। এটার ন্যাচারাল অয়েল এবং ভিটামিনের ব্লেন্ড আপনার ত্বক রক্ষা করবে।
প্রি-শেভ ক্রিম
রিফ্রেশিং মেনথল, ইউক্যালিপটাস অয়েল, গ্রিন টি অথবা ওট এক্সট্রাক্টের ফ্লেভার সমৃদ্ধ এই ক্রিম আপনার ত্বককে আরামদায়ক একটি শেভের জন্য প্রস্তুত করে তুলবে।
স্ক্রাব
স্ক্রাব কি শুধু মেয়েদের সৌন্দর্যচর্চার উপাদান? না, আপনার ত্বক আছে তারমানে এই ত্বকের এক্সফলিয়েটিং দরকার হবেই। অপরিষ্কার ত্বক শেভ করাটা একেবারেই অনুচিত। আর শেভের আগেই স্ক্রাব করে ফেলাটা ভালো। এটাও আপনার মুখের ত্বক এবং দাড়ি নরম করতে সাহায্য করবে, ময়লা এবং মৃত কোষ আগেই সরিয়ে ফেলবে যাতে তা রেজরে আটকে না যায়।
ক্লিনজার
একই সাথে অনেকগুলো কাজ যারা সেরে ফেলতে পছন্দ করেন, এটা তাদের জন্য। শেভের আগে অনেকগুলো পণ্য ব্যবহার না করে এই একটাই ক্লিনজার ব্যবহার করতে পারেন। আর তার পাশাপাশি মুখটাও ধোয়া হয়ে যাবে।
শেভিং সোপ
যাদের দাড়ি আছে তাদের জন্যও এটা ভালো, যারা ক্লিন শেভ করতে পছন্দ করেন তাদের জন্য তো বটেই। এটা দাড়ি পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে, শেভিং এর আগে ত্বক এবং দাড়ি কন্ডিশন করতেও কাজে আসে। এমনকি ট্রাভেলের সময়ে হাতের কাছে শেভিং ক্রিম না থাকলে এটাকেই ব্যবহার করতে পারেন। প্রিয়।
