তানজিনা আক্তার সুক্তি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রাক্তন ছাত্রী ছিলেন। চাকরি না পাওয়ার হতাশা থেকে তিনি পার্থিব জীবন থেকে আত্মহত্যার মধ্য দিয়ে চলে গেলেন অন্যলোকে।
পার্থিব জীবনের চিঠিরপ্রাপ্তির ঠিকানা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফয়জুন্নেসা হলের ২৩৬ কক্ষে ৩১ ডিসেম্বর সুক্তির বরাবরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগপত্র এলো ঠিকই। কিন্তু ওই জগতের বাসিন্দা হওয়া সেই সুক্তি এ নিয়োগপত্র গ্রহণ করতে পারেননি। অপেক্ষার দীর্ঘশ্বাসের তাড়না ও হতাশার কষ্ট সহ্য করতে না পেরে সুক্তি নিজেকে ওই জগতে নিয়ে গেলো। যেখানে চাওয়ার সঙ্গে প্রাপ্তির ব্যবধান ছিল মাত্র চার মাস।
প্রসঙ্গত, তানজিনা সুক্তি গত ২০১৫ সালের ১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিশ মাইল এলাকার ভাড়া বাসায় বিষপানে আত্মহত্যা করেন। শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার চার বছর কেটে গেলেও চাকরি না পাওয়ার হতাশায় তিনি আত্মহত্যা করেন বলে পরিবার ও প্রতিবেশী সূত্রে জানা গেছে।IMG0
ওই হলের বর্তমান ছাত্রী সাগরিকা মিতি বলেন, আপু ৩৫ ব্যাচের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। আমার পাশের রুমেই থাকতেন। রুম নং ২৩৬। অনেকদিন থেকেই চাকরির জন্য খুব চেষ্টা করছিলেন। ভালো ছাত্রী হওয়ায় সুবাদে সুক্তি আপু খুব আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যে তিনি বড় কোনো চাকরি করবেন। অনেক বড় অফিসার হবেন। কিন্তু বারবারই তাকে হতাশ হয়ে ফিরে আসতে হচ্ছিল।
নিয়োগ পত্র অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসার (জেনারেল সাইড) বিভাগের কর্মকর্তা পদে সুক্তি নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ৬ জানুয়ারীর মধ্যে প্রয়োজনীয় সনদ নিয়ে তাকে প্রধান কার্যালয়ে যেতে বলা হয়।
