বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ১নং প্যানেল মেয়র কেএম শহীদুল্লাহ ওরফে হাজী শহীদকে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে র্যাব আটক করেছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। র্যাব-৮’র পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে রাত ৮টা পর্যন্ত সুস্পষ্ট কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে র্যাবের ৭-৮টি গাড়ি কে এম শহিদুল্লাহ কে নিয়ে আজ রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার বাসভবনে তল্লাসীর জন্য আসে। র্যাব এ ব্যাপারে আনুষ্টানিক কোন বক্তব্য না দিলেও র্যাবের একাধিক সূত্র ইত্তেফাককে জানিয়েছে সিটি কর্পোরেশনের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ইসরাত আমান রূপার অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
প্যানেল মেয়র কেএম শহীদুল্লাহর স্ত্রী ইত্তেফাককে জানান, দুপুরে তার স্বামী শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে রোগী দেখে বের হয়। এ সময় সাদা মাইক্রোবাসে তাকে র্যাব পরিচয়ে তুলে নেয়া হয়। ঐ মাইক্রোবাসটির পিছনে র্যাবের একটি পিকআপও ছিলো।
সেই থেকে মিসেস শহীদুল্লাহ কয়েকজন নারী ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও আত্মীয় স্বজন নিয়ে র্যাব কার্যালয়ে অবস্থান করছেন। রাত ৮টায় তাদের র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্যানেল মেয়র শহিদুল্লাহকে ঢাকা থেকে আসা র্যাবের টিম আটক করেছে। তিনি র্যাব হেফাজতে সুস্থ্য, স্বাভাবিক রয়েছেন।
এর মাত্র ত্রিশ মিনিটের মাথায় শহিদুল্লাহকে নিয়ে র্যাব তার আলেকান্দার বাসভবনে অভিযান শুরু করে। রাত পৌনে ১০টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত র্যাবের তল্লাসী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রসঙ্গতঃ প্যানেল মেয়র শহীদুল্লাহর সঙ্গে কাউন্সিলর রূপার প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত নগরীতে মুখরোচক আলোচনা চলছিলো। কাউন্সিলর রূপাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘদিন প্রেম করলেও শেষ পর্যন্ত প্যানেল মেয়র বিয়ে করতে রাজী না হওয়ায় দ্বন্দ্ব তৈরি হয়।
