যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে ২০১৫ সালে খুন হয়েছেন ১৬ জন এবং নির্যাতনের শিকার হয়ে আহত হয়েছেন চারজন।
এসব হত্যাকাণ্ডের মধ্যে সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়েছেন নয়জন এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে নিহত হয়েছেন সাতজন। আহত হয়েছেন চারজন।
ওই বছরের ১ ফেব্রুয়ারি বিএসএফের গুলিতে আলিম খন্দকার (৩০) নামে এক যুবক নিহত হন। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার ইউসুফ আলীর ছেলে। ২ ফেব্রুয়ারি বেনাপোলের বারোপোতা গ্রামের চাঁনমিয়ার ছেলে আজিজুরকে (২২) বিএসএফ গুলি করে আহত করে। ৬ ফেব্রুয়ারি বেনাপোলের পুটখালি সীমান্ত থেকে জয়ন্তপাল (২৩) নামে এক যুবককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে এলাকাবাসী। ১৬ ফেব্রুয়ারি বেনাপোলের গওড়া গ্রামের বাবর আলীর ছেলে শরীফুল নির্মমভাবে আহত হন বিএসএফের হাতে। ১৯ ফেব্রুয়ারি যশোরের আবির নামে (২৪) এক যুবককে বেনাপোলের পুটখালি সীমান্তের ওপারে বিএসএফ নির্যাতন করে মারাত্মকভাবে আহত করে। একই দিনে নড়াইলের কালিয়া থানার শরিফুল নিহত হন বিএসএর গুলিতে। ২০ ফেব্রুয়ারি অভয়নগরের আমজাদ হোসেন নিহত হন বেনাপোলের পুটখালি সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে। ২৬ ফেব্রয়ারিতে একই সীমান্ত থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করে বিজিবি। ১৩ মার্চ বেনাপোলের গয়ড়া গ্রামের গরু ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বিএসএফের হাতে নিহত হন। ১ এপ্রিল বেনাপোলের বারোপোতা গ্রামে চাচীর হাতে ধারাল অস্ত্রের আঘাতে খুন হন জামাল নামে এক যুবক। ৩ এপ্রিল বেনাপোলের অগ্রভুলোট গ্রামে বিএসএফের নির্যাতনে নিহত হন আলাউদ্দিন নামে এক যুবক। ১১ এপ্রিল বেনাপোলের দৌলতপুর গ্রামের আনিছ মিয়ার ছেলে আকু এবং হানিফের ছেলে শান্ত বিএসএফের গুলিতে নিহত হন।২৪ এপ্রিল বেনাপোলের রঘুনাথপুর গ্রামে সন্ত্রাসীদের হামলায় বিএনপি নেতা শমছের আলী নিহত হন।২৪ মে বেনাপোলের পুটখালিতে আবু সাইদ নামে একজন গরু ব্যবসায়ী নিহত হন। ২ অক্টোবর বেনাপোলের পুটখালি সীমান্ত থেকে নীল রতন নামে এক বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করা হয়। ৪ অক্টোবর শার্শার গোগা গ্রামে নিজ ভাইয়ের হাতে খুন হন আজিজুর নামে এক যুবক। ২৭ অক্টোবর বেনাপোলের বালুন্ডা গ্রামের মনিরুল নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করে বিএসএফ । ৪ নভেম্বর বেনাপোলের বারোপোতা এলাকায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন রাজবাড়ি জেলার ইলিয়াছ মৃধা।
২১ ডিসেম্বর বেনাপোলের পুটখালিতে শশুরবাড়ির লোকের হাতে নিহত হন নাসরিন নামে এক গৃহবধূ।
