মাইকেল জ্যাকসনের সুনাম প্রশ্নের মুখে

আপডেট : ১২ মার্চ ২০১৯, ২১:৩০

বিবিসি

মাইকেল জ্যাকসন সারা বিশ্বের কাছে ‘পপ সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত। তিনি হলেন সর্বকালের সেরা তারকাদের একজন। সফলতার এই সিঁড়ি তিনি তার নিজ গুণেই অর্জন করেছেন। কিন্তু ‘লিভিং নেভারল্যান্ড’ নামের একটি তথ্যচিত্র প্রচারের পর তার সেই সুনাম এখন প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

এ সপ্তাহে প্রচারিত ওই অনুষ্ঠানে দেখানো হয়েছে যে, জেমস সেফচাক এবং ওয়েড রবসন নামের দুইজন ব্যক্তি দাবি করেছেন, শিশু থাকাকালে তাদের নির্যাতন করেছেন এই গায়ক। যদিও মাইকেল জ্যাকসনের পরিবার ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছে, কিন্তু এই অভিযোগ তার নামের ওপর বিশাল এক কালো ছায়া তৈরি করেছে।

দোষী অথবা নির্দোষ: ওই তথ্যচিত্রে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা নিঃসন্দেহে অনেককে বিব্রত এবং অস্বস্তিতে ফেলবে। ওই দুইজন ব্যক্তি মাইকেল জ্যাকসনের দ্বারা নির্যাতনের যে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন, তা অনেককেই হতবাক করে দিতে পারে। তবে এই গায়ক দোষী নাকি নির্দোষ, তা নিয়ে সেলিব্রেটি এবং দর্শকদের মধ্যে বিভক্ত মতামত তৈরি হয়েছে। অনেকে বলছেন, ওই তথ্যচিত্রে মাইকেল জ্যাকসনকে একজন শিশু যৌন নির্যাতনকারী হিসেবে দেখানো হয়েছে। তবে অন্যরা এখনো তার পক্ষে রয়েছেন এবং মনে করেন যে, তিনি নির্দোষ। পিআর কোম্পানি রাইট অ্যাঙ্গেলসের প্রতিষ্ঠাতা পল ব্লানচার্ড মনে করেন, মাইকেল জ্যাকসনের উত্তরাধিকারের ওপর এর কি প্রভাব পড়বে, তা এখনি বলা কঠিন।

মাইকেল জ্যাকসনের পরিবার কী বলছে: জ্যাকসনের ব্যাপারে এসব অভিযোগ শক্তভাবে নাকচ করে দিয়েছে তার পরিবার। তারা বলছে, এসব অভিযোগের উদ্দেশ্য হচ্ছে জ্যাকসনের সম্পত্তি থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া। তার ভাইয়ের ছেলে তাজ জ্যাকসন বিবিসির নিউজবিট অনুষ্ঠানকে বলেছেন, মাইকেল জ্যাকসন বেঁচে থাকলে এসব অভিযোগ শুনে কেঁদে ফেলতেন। তবে জ্যাকসনের মা এবং বোন এখনো এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে কোনো মন্তব্য করেননি। তার মেয়ে প্যারিস জ্যাকসন ওই তথ্যচিত্র প্রচারের পর থেকেই মিডিয়ার বাইরে রয়েছেন এবং এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।  এক টুইট বার্তায় তিনি তার সমর্থকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।