নাটোরের সিংড়া উপজেলার আগমুরশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণীর শিক্ষার্থী খানজাহান আলীকে (৭) গলা টিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার সাবেক দুলাভাই হেলাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে। খানজাহান আগমুরশন গ্রামের কৃষক আবু তালেবের ছেলে।
শুক্রবার ভোরে পুলিশ হেলালের বাড়ি থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে নিহত খানজাহানের বড় বোন রোকেয়া বেগমকে বিয়ে করেন ফুফাতো ভাই হেলাল। সম্প্রতি তাদের মধ্যে পারিবারিকভাবে বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর থেকেই বিভিন্ন সময় হেলাল তাদেরকে নানাভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। বৃহস্পতিবার খানজাহানকে গোপনে বাড়িতে নিয়ে গলা টিপে হত্যার পর একটি কক্ষে লাশ বস্তাবন্দী করে রেখে দেয়া হয়। পরে এলাকাবাসী মিলন নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ওই ঘর থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ও তিনজনকে আটক করে। আটকরা হলেন, নিহতের ফুফু হেলেনা (৪৫), মিলন (২৪), আসাদুল (২৪)। হেলাল পলাতক থাকায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবু তালেব বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নাটোর মর্গে পাঠানো হয়েছে।
