খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি উপজেলার বড় ডলু এলাকায় দুই সন্তানের জননী দেলোয়ারা বেগমকে (৪৫) শ্বাসরোধ করে হত্যার পর ঘরে তালা ঝুলিয়ে স্বামী মোরশেদ আলম পালিয়ে যান। খবর পেয়ে শুক্রবার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ খাগড়াছড়ি সদর থেকে ঘাতক স্বামী মো. মোরশেদকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বড়ডলু গ্রামের মরহুম আবদুল জব্বারের মেয়ে দেলোয়ারা বেগমকে ৩৫ বছর আগে সরকারি চাকরিজীবী (৪র্থ শ্রেণি) মো. মোরশেদ আলম বিয়ে করে সংসার করছিলেন। তাদের সংসারে শিউলী আক্তার (৩০) ও মো. সোহেল (২৬) নামের দুজন সন্তান রয়েছে। তারা উভয়ে বিবাহিত হলেও বসবাস জেলা সদর ও দীঘিনালায়। বছর দু' এক আগে মো. মোরশেদ আলম অবসর গ্রহণ করে এলাকায় এসে নিজ জমিতে ঘরে তৈরি করে স্বামী-স্ত্রী বসবাস করছিলেন। শুক্রবার দুপুরে প্রতিবেশিরা তাদের সাড়াশব্দ না পেয়ে বাড়িতে খোঁজ করতে আসেন। এ সময় ঘরের দরজায় তালা ঝুলতে দেখে সন্দেহ হয়। ঘরের পেছনের একটি খোলা জানালা দিয়ে নারীর মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে তারা পুলিশকে ঘটনাটি জানায়। খবর পেয়ে মানিকছড়ি থানার এস আই মো. মকবুল আহম্মদের নেতৃত্বে একদল পুলিশ এসে তালাবদ্ধ ঘরের দরজা ভেঙ্গে একটি কক্ষে থেকে লাশটি উদ্ধার করে। নিহতের মুখে রক্তের থাকায় শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালের মর্গে ময়না তদন্তের পর লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে। হত্যাকাণ্ডের সময় ঘরে স্বামী স্ত্রী ছাড়া অন্য কেউ ছিল না।
এদিকে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার বিকালে পুলিশ খাগড়াছড়ি সদর থেকে স্বামী মোরশেদকে গ্রেফতার করেছে। মানিকছড়ি থানার উপ-পরিদর্শক মকবুল আহম্মদ জানান, এ ব্যাপারে থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয়েছে।
