আজকাল সরকারি বা বেসরকারি সকল চাকরির ক্ষেত্রে একটা বিষয় পরিলক্ষিত হয় যে, প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট, ছবি ইত্যাদি প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে। কিন্তু এ ব্যাপারটা কতটা স্বচ্ছ তা প্রশ্নের জন্ম দেয়। কেননা প্রচলিতভাবে আমরা যা করি তা খুবই হাস্যকর। কারণ প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা বলতে আমরা বুঝি যাঁরা বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের মাধ্যমে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত আছেন তাঁরা। কিন্তু আমরা যখন একজন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার কাছে কাগজপত্র সত্যায়িত করতে যাই, তখন বেশিরভাগ সময়ই আমাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। হয় তাঁদের কাছে সিল থাকে না বা এত কাগজপত্র সত্যায়নের সময় থাকে না। আরেকটা বিষয়, সত্যায়ন বলতে বোঝায় ঐ প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা আমাকে কতটুকু চেনেন বা জানেন তা বিচার করা। কিন্তু বাস্তবে এ ব্যাপারটা কতটুকু সত্য? আর যখন একজন প্রার্থী দিনের পর দিন অপেক্ষা করেও কার্য সম্পাদন করতে ব্যর্থ হন তখন তিনি নিজেই সিল বানিয়ে নিজের কাগজপত্র সত্যায়িত করে নেন। এই ব্যাপারটাই অহরহ ঘটছে নিয়োগের আবেদনগুলোতে। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, এ সত্যায়নের মূল্যই বা কতটুকু যেখানে প্রার্থীকে আবেদনেই দুর্নীতি করতে হয়? চাকরিতে আবেদনের ক্ষেত্রে এ ব্যাপারটি খুবই পীড়াদায়ক। তাই এ ব্যাপারটি খোলাসা করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকষর্ণ করছি।
শফিউল আল শামীম
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা কলেজ
