জাবিতে ইভটিজিংয়ে বাধা দেয়ায় শিক্ষক লাঞ্ছিত

আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০১৬, ২১:২৩
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দর্শনার্থী শিক্ষার্থীকে লাঞ্ছিত করার সময় বাধা দেয়ায় এক শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের তিন কর্মীর বিরুদ্ধে। লাঞ্ছনার শিকার অধ্যাপক মোজাহিদুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যলয়ের ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌরঙ্গীর মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ওই তিন ছাত্রলীগ কর্মী হলো, আল বেরুনী হলের ৪০তম ব্যাচের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আবু সাদাত সায়েম, আন্তজার্তিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জামশেদ আলম ও বাংলা বিভাগের ৪৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান। এরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আরিফুল ইসলামের অনুসারী বলে জানা গেছে।
 
অধাপক মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেলে রিকশায় করে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের চৌরঙ্গী মোড়ের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম। এ সময় দেখতে পাই সায়েম নামের ওই শিক্ষার্থী একটি মেয়ের ওড়না ধরে টানাটানি করছে। আর মেয়েটির সঙ্গে আসা ছেলেটিকে জামশেদ ও জাহিদ হাসান কিল ঘুষি মারছে। পরে জানতে পারলাম এরা দুইজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। আমি তাদেরকে ধমক দিয়ে থামতে বলি। এরপর ওই তিন শিক্ষার্থী আমাকে ঘিরে ধরে অশোভন আচরণ করে। এমনকি আমাকে মারতে উদ্ধত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুরশিদুর রহমান এসে তাদের হাত থেকে আমাকে উদ্ধার করে।’
 
এ বিষয়ে জানতে আবু সাদাত সায়েম, জামশেদ ও জাহিদ হাসানকে একাধিক বার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।
 
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘গালি দেয়ায় স্যারের সঙ্গে তারা খারাপ ব্যবহার করেছে বলে শুনেছি। তবে আমি ক্যাম্পাসের বাহিরে থাকায় বিস্তারিত জানি না।’
 
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহা বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। বিস্তারিত জেনে ব্যবস্থা নিব।’