বগুড়ায় মারা গেলেন অ্যাসিডে ঝলসানো সেই গৃহবধূ

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০১৬, ২১:১৬
বগুড়ায় যৌতুকের দাবি পূরণ না করায় অ্যাসিড নিক্ষেপের শিকার গৃহবধূ পূর্ণিমা (২০) ২৮ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
 
শুক্রবার ভোরে বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান। ঘটনার পর থেকে পূর্নিমার স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে।
 
পুলিশ জানায়, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।
 
বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আসলাম অঅরী জানান, অ্যাসিড নিক্ষেপের মামলাটি এখন হত্যা মামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। অভিযুক্তরা পলাতক থাকায় এখনও তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
 
উল্লেখ্য, প্রায় দুই বছর আগে বগুড়া সদর উপজেলার মাটিডালী হাজীপাড়া এলাকার সুমনের সঙ্গে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার বেলোয়া চৌধুরীপাড়ার রবিউল ইসলামের মেয়ে পূর্ণিমার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় পূর্ণিমার বাবা সুমনকে নগদ ৮০ হাজার টাকা যৌতুক দেন। এছাড়া প্রায় ৬০ হাজার টাকার বিভিন্ন আসবাপত্র কিনে দেন। বিয়ের তিন মাস যেতে না যেতেই সুমন শ্বশুরের কাছে আরো ১০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করেন। তবে শ্বশুর সেই টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এর জেরে সুমন ও তার মা সুলতানা বেগম প্রায়ই পূর্ণিমার উপর নির্যাতন চালাতেন। একপর্যায়ে ১ জানুয়ারি সুমন ও তার মা জোরপূর্বক পূর্ণিমার মুখে অ্যাসিড ঢেলে দেয়। এতে পূর্ণিমা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এ ঘটনায় ১২ জানুয়ারি মামলা হয়।