গাজীপুরে টায়ার মেরামত কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ স্বাধীন ফারাজী শুক্রবার সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ নিয়ে ঐ বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল আট। এছাড়া যাত্রাবাড়ীতে দগ্ধ শিশু রমজান আলী (৮) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রিকশাচালক স্বাধীন ফারাজী স্ত্রী শাহজাদা বেগম ও দুই সন্তানকে নিয়ে গাজীপুরের টঙ্গীতে থাকতেন। গত ২৩ জানুয়ারি টঙ্গী থেকে এক মহিলা যাত্রীকে নিয়ে পূবাইল যাচ্ছিলেন স্বাধীন। বিকালে পূবাইল কলেজ গেট এলাকায় একটি টায়ার মেরামতের কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ হন তিনি। এ সময় তার রিকশায় থাকা মহিলা যাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় ওই দিনই পাঁচজন মারা যায়। আর দগ্ধ অবস্থায় ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় আব্দুল কাদের, কামাল মিয়া ও স্বাধীন ফারাজীকে। এদের প্রত্যেকই একে একে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। সর্বশেষ সকালে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিত্সাধীন অবস্থায় মারা যান স্বাধীন। তার শরীরের ৫৮ ভাগ পুড়ে গিয়েছিল।
এদিকে, সকালে রমজান নামে এক শিশু ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। তার বাবা মৃত আনোয়ার হোসেন ও মা রাজিয়া বেগম। রাজিয়া যাত্রাবাড়ী ভাঙ্গা প্রেস এলাকায় খন্ডকালীন গৃহকর্মী হিসাবে কাজ করেন। তাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপায়।
জানা গেছে, গত রবিবার দুই শিশুর সঙ্গে একটি ভবনের ছাদে তারপিন নিয়ে খেলছিল রমজান। এ সময় তারপিনের বাক্সে আগুন ধরিয়ে দিলে তা বিস্ফোরণে রমজান দগ্ধ হয়। আগুনে তার শরীরের ৩৬ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
