নেত্রকোণার রাজাকার মো. ওবায়দুল হক ওরফে আবু তাহের ও আতাউর রহমান ননীর প্রাণদণ্ডের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম। রায় ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ফোরামের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল কে এম সফিউল্লাহ বলেন, 'সঠিক রায় হয়েছে। এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।'
তিনি যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডপ্রাপ্তদের রায় দ্রুত কার্যকর করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। বিচারপতি আনোয়ারুল হক নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মঙ্গলবার তাহের ও ননীর সর্বোচ্চ সাজার রায় শোনায়।
রায়ে বলা হয়, দুই রাজাকারের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা ছয়টি অভিযোগের মধ্যে চারটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তাহের ছিলেন নেজামী ইসলামী পার্টির স্থানীয় নেতা। চার দশক পরে যুদ্ধাপরাধের দায়ে গ্রেফতার হওয়ার সময় বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন তিনি।
একাত্তরে তাহের ও ননী বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীকে সহযোগিতা করতে গঠিত রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেন। সে সময় নেত্রকোণা জেলা সদর ও বারহাট্টা থানাসহ বিভিন্ন এলাকায় মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য তারা 'কুখ্যাত রাজাকার' হিসেবে পরিচিতি পান বলে মামলার বিচারে উঠে এসেছে। বিডি নিউজ।
