অবৈধ ঔষধ বিক্রয়ের দায়ে ডিএক্সএন ফার্মাসিউটিক্যালসকে জরিমানা

আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ১৬:৩৭
 
অবৈধ, নিম্নমানের ও ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের অনুমোদনবিহীন ঔষধ আমদানি ও বিক্রয়ের দায়ে রাজধানীর বারিধারার ডিএক্সএন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডকে দুইলক্ষ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বৃহস্পতিবার সকাল ১১ ঘটিকায় ঢাকা জেলা প্রশাসন, ৫-এপিবিএন এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের যৌথ উদ্যোগে এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়।
 
অভিযান পরিচালনাকারী ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদ এলাহী জানান, ডিএক্সএন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড দীর্ঘদিনযাবৎ ঔষধ প্রশাসনের অনুমোদনবিহীনভাবে অবৈধ ও নিম্নমানের বিভিন্ন প্রকারের ফুড সাপ্লিমেন্টস আমদানি, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও মিথ্যা তথ্যদিয়ে বিক্রয় করে আসছে। ভ্রাম্যমান আদালত প্রতিষ্ঠানটিকে ঔষধ আইনে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে মালিককে তিনমাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে।
 
অভিযানকালে প্রায় দশ লক্ষ টাকা মুল্যমানের বে আইনী, অনুমোদনবিহীন ও নিম্নমানের ফুড সাপ্লিমেন্টস জব্দ ও ধ্বংস করা হয়।
 
৫-এপিএবিএন'র সহকারী পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান জানান, এ প্রতিষ্ঠানের আমদানীকৃত ঔষধ খেয়ে বিভিন্ন ধরণের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভুক্তভূগী জনগণ কর্তৃপক্ষের কাছে বিহীত করার আবেদন জানিয়ে আসছিল। দীর্ঘদিন প্রতিষ্ঠানটিকে পর্যবেক্ষণ করার পর এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি এমএলএম পদ্ধতিতে প্রতারণাপূর্ণভাবে সারাদেশে পণ্য বাজারজাত করে আসছে। ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের ড্রাগ সুপার এটিএম গোলাম কিবরিয়া খান বলেন, এ প্রতিষ্ঠানের আমদানিকৃত ফুড সাপ্লিমেন্টসগুলো অত্যন্ত নিম্নমানের। এ গুলোতে উচ্চমাত্রায় আমিষ ও ভিটামিন থাকার কারণে জনগণ দ্রুত মোটা স্বাস্থ্যের অধিকারী হবে, এ ধরণের প্রতারণামূলক কৌশল ব্যবহার করে ঔষধগুলো বাজারজাতকরা হয়।
 
ঢাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদ এলাহী জানান, ভ্রাম্যমান আদালতের এ ভেজাল ও নকল বিরোধী অভিযান আরো। শক্তিশালী ও জোরদার করা হবে । অভিযানকালে আরো উপস্থিত ছিলেন ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের সহকারী পরিচালক ড. আকিব হোসেন, ড্রাগ সুপার মাহবুব হোসেন এবং বিএসটিআই'র পরিদর্শক রিজোয়ানুর রহমান সরকার।