রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হোসেন হত্যার মামলায় অভিযুক্তদের দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছে স্বজন ও সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের দলীয় টেন্টে ফারুকের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় এই দাবি জানানো হয়।
এ উপলক্ষে সকাল ৮টায় কালোব্যাজ ধারণ, বেলা সাড়ে ১১টায় দলীয় টেন্ট থেকে শোকর্যালি এবং দুপুর ১২টায় স্মরণসভায় দুঃস্থদেরমাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। রাবি ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাশেদুল ইসলাম রাঞ্জুর সভাপতিত্বে স্মরণসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার। বক্তব্য রাখেন মতিহার থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মীর তৌহিদুর রহমান কিটু, সাবেক উপ-প্রচার সম্পাদক মীর ইশতিয়াক হোসেন লিমন, ফারুকের বড় বোন আসমা প্রমুখ। সভা সঞ্চালনা করেন রাবি ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক খালিদ হাসান বিপ্লব।
ফারুকের বড় বোন আসমা বলেন,`বড় আশা করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিল আমার ভাই। মা-বাবার আশা ছিল পড়ালেখা শেষ করে সংসারের হাল ধরবে। কিন্তু জামায়াত-শিবিরের হায়েনারা আমাদের সে আশা ব্যর্থ করে দিয়েছে। দল ক্ষমতায় থাকলেও ছয় বছরেও ফারুক হত্যার হয়নি। সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকীর আগে দোষীদের বিচার হবে আশা করছি।'
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে শিবির কর্মীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এসএম হলের ছাত্রলীগ কর্মী ফারুককে কুপিয়ে হত্যার পর লাশ পার্শ্ববর্তী সৈয়দ আমীর আলী হলের ম্যানহোলে ফেলে দেয়। পরদিন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম অপু জামায়াত-শিবিরের ৩৫ নেতাকর্মীর নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরো শতাধিক জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে নগরীর মতিহার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
