বগুড়ায় একটি ফাজিল মাদ্রাসায় এক ছাত্রীকে নামাজ ঘরে ডেকে নিয়ে ‘ধর্ষণের’ অভিযোগে আটক হয়েছেন সোনাতলা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ফজলুল করিম (৬২)। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে মাদ্রাসার ছাত্রীদের নামাজ ঘর থেকে পুলিশ তাকে আটক করে।
আটক হওয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ফজলুল করিম নিজেকে উপজেলা ওলামালীগের সভাপতি দাবি করলেও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতারা দাবি করেছেন, তিনি এই দলের কেউ নন।
জানা গেছে, বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে সোনাতলা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ফজলুল করিম আলিম ক্লাশের এক ছাত্রীকে মাদ্রাসা ভবনের দ্বিতীয় তলায় ওই ছাত্রীকে নামাজ ঘরে ডেকে নেন। এরপর ওই ছাত্রীর সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হলে অন্যান্য ছাত্ররা বিষয়টি টের পেয়ে দু’জনকেই 'আপত্তিকর' অবস্থায় আটক করে। পরে তিনি ওই ছাত্রীকে বিয়ে করার অঙ্গীকার করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন। পুলিশে খবর দেয়া হলে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
এদিকে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ কর্তৃক ছাত্রীকে ধর্ষণের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে। অধ্যক্ষের বিচারের দাবিতে মাদ্রাসার শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। বিক্ষোভ মিছিল শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোত্তালেব জানান, আটককৃত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
