কানের ব্যথা অনেক যন্ত্রণাদায়ক। আর নানা কারণে কানে তীব্র ব্যথা হতে পারে। যেমন- কানের ভেতরে ব্রণের সমস্যা, কানে পানি ঢোকা, ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ, ঠাণ্ডা, কানের কোনো রোগ, অ্যালার্জি, ফাঙ্গাস ও দুর্ঘটনায় কানে ব্যথা পাওয়া ইত্যাদি। ব্যথার সময় ভুলেও কানে আঙুল কিংবা অন্য কোনো কিছু অথবা কটন জাতীয় জিনিস ঢোকানো যাবে না। কানের ব্যথা কমাতে ঘরোয়া কিছু চিকিৎসা নেয়া যেতে পারে। এতে করে খুব দ্রুত কানের তীব্র ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। যদি এতে কাজ না হয় তবে দ্রুত চিকিত্সকের শরণাপন্ন হতে হবে।
আদার রস
আদার অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান দ্রুত কানের ব্যথা উপশমে বেশ কার্যকরী। আদা ছেঁচে নিয়ে এর তাজা রস ২/৩ ফোঁটা কানের ভেতর দিয়ে দিন। ব্যথা উপশম হবে। এছাড়াও আদা থেঁতো করে তিলের তেলে ফুটিয়ে তেল কানের ভেতর দিতে পারেন, এতেও ভালো কাজ হয়।
গরম ভাপ
একটি বোতলে কিংবা হট ব্যাগে গরম পানি নিয়ে অথবা একটি সুতি পাতলা কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে কানের কাছে চেপে ধরতে হবে। গরম ভাপ কানের ভেতরে গেলে কানের ভেতরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে। এতে করে কানের ব্যথা উপশম হবে।
পেঁয়াজের রস
পেঁয়াজ অনেক কার্যকরী অ্যান্টিসেপ্টিক। পেঁয়াজ গ্রেট বা কুঁচি করে নিয়ে চিপে রস বের করে দিনে অন্তত ২/৩ বার ৩/৪ ফোঁটা করে আক্রান্ত কানের ভেতর দিতে হবে। এতে করে কানের ব্যথা দূর হবে।
রসুন ও তিলের তেল
রসুনের অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান কানের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণের ব্যথা উপশমে কাজ করে। দুই টেবিল চামচ তিলের তেলে এক চা চামচ থেঁতো করা রসুন ফুটিয়ে নিন ২/৩ মিনিট। রসুন ছেঁকে নিয়ে এই তেল ঠাণ্ডা হতে দিন। তেল ঠাণ্ডা হলে ২/১ ফোঁটা তেল কানের ভেতর দিয়ে দিন। ব্যথা কমে যাবে।
লবণ
লবণ বাদামী বর্ণ ধারণ করা না পর্যন্ত ভাজতে থাকুন। এরপর চুলা থেকে নামিয়ে একটি পরিষ্কার কাপড়ে পেঁচিয়ে নিয়ে কানে এই লবণের গরম ভাপ নিতে হবে। এতে করে কানের ব্যথা তাৎক্ষণিকভাবে উপশম হবে।
অলিভ অয়েল
অলিভ অয়েল গরম করে নিতে হবে। কুসুম গরম থাকতে থাকতেই ৩/৪ ফোঁটা অলিভ অয়েল ড্রপার দিয়ে কানের ভেতর ড্রপ করতে হবে। এতে খুব দ্রুত কানের ইনফেকশন জনিত ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
