মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশী কর্মী প্রেরণে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ১৬:৫১
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশী কর্মী প্রেরণ সংক্রান্ত জিটুজি প্লাস সমঝোতা স্মারক আজ স্বাক্ষরিত হয়েছে।প্রবাসীকল্যাণ ভবনে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিং সেন্টারে আজ সকালে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম এবং মালয়েশিয়ার পক্ষে সে দেশের মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতো শ্রী রিচার্ড রিওট আনাক জায়েম।
 
স্মারক স্বাক্ষর সম্পন্নের পর প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী বলেন, আজ বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী অভিবাসনের জন্য একটি স্মরণীয় দিন। বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশী কর্মী অভিবাসন সংক্রান্ত এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।
 
তিনি আরো বলেন, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের জন্য বাংলাদেশ সোর্স কান্ট্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর ফলে অন্যান্য সোর্স কান্ট্রির ন্যায় বাংলাদেশ থেকে সেবা, নির্মাণ, কৃষি, প্লান্টেশন ও ম্যানুফ্যাকচারিং সেক্টরে কর্মী নিয়োগের সুযোগ উন্মুক্ত হলো। অতীতে শুধু প্লানটেশন সেক্টরে কর্মী নিয়োগের সুযোগ ছিল।
 
প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরো বলেন, সমঝোতা স্মারকটি পাঁচ বছরের জন্য স্বাক্ষরিত হয়। তবে উভয়পক্ষের সম্মতিতে তা বৃদ্ধি করা যাবে। বিএমইটি’র ডাটাবেজে নিবন্ধিত কর্মীর তালিকা থেকে কর্মী নিয়োগ করা হবে। বাংলাদেশের কর্মীদের উপরে মোট অভিবাসন ব্যয় কমবেশি ৩৪ হাজার হতে ৩৭ হাজার টাকার মধ্যে সীমিত রাখা সম্ভব হবে। মালয়েশিয়ার নিয়োগকর্তা কর্তৃক তাদের নির্ধারিত অধিকাংশ অভিবাসন ব্যয় নির্বাহ করা হবে।