রাজা তোমার বৃত্ত বোঝাই ত্রিধার গজাল দিয়ে,
বৃষ্টি বনের ঘাস মেলে কি কালাহারি গিয়ে?
সেনাপতি মূর্খ আকাট সভাসদও তাই,
তাদের গুণের তারিফ করে বলিহারি যাই।
জিরাফবহর গলা যাদের বিশ্ব মারে মুখে,
তাদের দিয়ে সেরার মেডেল তুমি হাস সুখে।
রানিমাতার মগজ ওদিক খাচ্ছে ইঁদুর কুঁড়ে,
চাণক্য আর মানিক্যরা ঠেলছে তোমায় দূরে।
মন্ত্র (!) পেয়ে মা জননীও ভীষণ খুশি বটে,
আগাছারা হচ্ছে গাছা সবখানে তা রটে।
কেউবা দেখি দুই দুয়ারেই শিয়াল পায়ে হাঁটে,
মিথ্যা দিয়ে সত্যটাকে আচ্ছামতো ঘাঁটে।
এক পলকেই দিনকে করে রাতের চেয়ে কালো,
মায়ের চোখে তবু ওরাই সবার চেয়ে ভালো।
নজর রাখে তোমার চোখে রানির দিকেও ঝোলে,
তুমি? নাকি রানি বড়? এই দোটানায় দোলে।
রাজ্য গেলে রসাতলে ওদের তাতে কী!
সময়মতো করছে মজুদ মাখন-ছানা-ঘি।
আমরা ছাগল বোবাকালা চোখেও আছে ছানি,
দ্বিঘাত শাসন এমন জটিল আমরা কি তা জানি!
হে ভগবান! দাও সুমতি রাজমাতা আর রাজায়,
রাজা-রানি আর না যেন প্রমাদগীতি বাজায়।
