এইচপিভি বা হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস সার্ভাইক্যাল ক্যান্সারের অন্যতম একটি কারণ। বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, গত এক দশক পূর্বে এইচপিভি নামক যৌনবাহিত ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে টিনএজারদের জন্য ভ্যাকসিন শুরু করা হয়। এক দশক পর বিশেষজ্ঞগণ গবেষণায় দেখেছেন এইচপিভি এর ভ্যাকসিন দেয়ার পর এইচপিভি-এর সংক্রমণ দু’তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছে। আর এ তথ্য দিয়েছেন মার্কিন গবেষকগণ। এব্যাপারে ওকলোহোমা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডোলেসেন্ট মেডিসিনের প্রধান ড. অ্যামি মিডলম্যান মনে করেন এইচপিভি ভ্যাকসিন-এর ফলে টিনএজারদের সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস পেলেও এখনও বহু আমেরিকান ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। তথ্য অনুসারে প্রতি বছর অন্তত এক কোটি ৪০ লাখ আমেরিকান এইচপিভি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। আর এসব ভাইরাসের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে জেনিটাল ওয়ার্টস সংক্রমিত হওয়া। আর আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির হিসাব অনুযায়ী প্রতি বছর শুধু যুক্তরাষ্ট্রে সার্ভাইক্যাল (সার্ভিক্স) ক্যান্সারে মারা যায় ৪ সহস াধিক মহিলা।
শুধু আমেরিকায় নয়, সার্ভিক্স ক্যান্সার রোধে বিশ্বব্যাপী ভ্যাকসিন চালু রয়েছে। বাংলাদেশে সরকারি পর্যায়ে এধরনের ভ্যাকসিন পাওয়া না গেলেও বেসরকারিভাবে পাওয়া যাচ্ছে উচ্চ মূল্যের এইচপিভি ভ্যাকসিন। আর মহিলাদের সার্ভিক্স ক্যান্সার রোধে এ ধরনের ভ্যাকসিন দেয়া প্রয়োজন। তবে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছাড়া এইচপিভি ভ্যাকসিন দেয়া উচিত নয়।
লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ
