আপনার কাছের বন্ধুটি কেমন?

আপডেট : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ২২:২৬
আপনার কাছের বন্ধু কি গায়ে পড়া । সে কি নিজেকে অযথা বিষয়ে মাথা ঘামায়? কিংবা তার বকবকানিতে কি আপনি অতিষ্ট হয়ে যান । তাহলে নিম্নের বিষয় গুলো জেনে নিয়ে আপনি তার থেকে সতর্ক থাকতে পারেন।
 
১)রোজ সকালে আপনার ঘুম ভাঙে সেই বন্ধুর মেসেজ বা ফোনে। রাতে তার ঘুমটা কত খানি ভাল অথবা খারাপ হয়েছে, স্বপ্নে  তিনি কী কী দেখেছেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা সব কিছুর পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ শুনতে আপনি বাধ্য হন।
 
২) তার মুখ থেকে যে মুহূর্তে একটি শব্দ বেরিয়ে আসে তার পরের এক ঘণ্টাকে আপনি নীরবে বিদায় জানান।
 
৩)আপনি বহুবার বিভিন্নভাবে তাকে আপনার নিজস্ব সময়ের প্রয়োজনীয়তার কথা বোঝাবার চেষ্টা করেছেন। উত্তর পেয়েছেন 'হ্যাঁ, ঠিক বলেছিস। আমি এখানে বসে নিজের কাজ করবো। তোকে মোটেও জ্বালাবো না।'
 
এই প্রতিশ্রুতির মিনিট দুই পরেই হঠাত্ করেই অবধারিত ভাবে তার 'ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ' কিছু একটা মনে পড়বে, আর তক্ষুণি আপনাকে সেই কথা না বললে তার বদহজম হয়ে যাবে।
 
৪) আপনি ব্যস্ত এই কথা তাকে বলতেই আপনি ভয় পান।আপনার ব্যস্ততার কথা শুননলেই তার মুখ হাঁড়ি হয়ে যায়।
 
৫) আপনাকে যে যে চেনে, আপনার সেই বন্ধুকেও তারা নিশ্চিত ভাবেই চেনে। বেশিরভাগের সঙ্গেই তার দেখাও হয়েছে।কারণ আপনার জীবনের সব কিছুতেই তার উপস্থিতি রয়েছে।
 
৬)তার ইচ্ছা হলেই তার সঙ্গে আড্ডা মারতে যেতেই হবে। না বলার উপায় নেই। কানের সামনে লাগাতার ঘ্যানঘ্যান করে, ঝগড়া করে অথবা ঠোঁট ফুলিয়ে, যে ভাবেই হোক, রাজি সে আপনাকে করাবেই।
 
আপাতত আপনি তাকে ‘না’ বলার চেষ্টাই ছেড়ে দিয়েছেন।
 
৭) রাত দুইটা হোক বা দুপুর দুইটা, প্রায় রোজ, তার যখন ইচ্ছা হয়, আপনার বাড়িতে এসে উপস্থিত হয়। বেশীরভাগ সময় কাজে নয়, জাস্ট এমনিই। আপনার ব্যস্ততা, ইচ্ছা, সব কিছুকে তার থোরাই কেয়ার।
 
৮) এই ব্যক্তি পাশে থাকলে মাঝে মধ্যেই আপনার অন্য বন্ধুদের কথা মনে পড়ে যায়। সেই বন্ধুদের দেখতে পেলে দেবদূত গোত্রীয় মনে হয়।
 
৯) প্রেম করেন? তাহলে আপনি, আপনার গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে এই বন্ধুকে দেখা যাবেন। কাবাবে হাড্ডি হওয়ার তার উদগ্র বাসনা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা আপনার নেই।আপনারা দু’জন যেন কোনও ভাবেই একান্ত সময় কাটাতে না পারেন, তার সব দায়িত্ব এই বন্ধু স্বইচ্ছায় নিজের কাঁধে নিয়ে নেয়।
 
১০) তাদের জীবনের মূল লক্ষ্য যে কোনও ভাবে আপনার জীবনের প্রতি ক্ষেত্রের অংশীদার হওয়া। তাদের জীবনের মূল লক্ষ্য যে কোনও ভাবে আপনার জীবনের প্রতি ক্ষেত্রের অংশীদার হওয়া। আপনার সব ব্যাপারে পরামর্শ না চাওয়া সত্ত্বেও 'সুচিন্তিত' মতামত দিতে সে ওস্তাদ।