শনিবার অগ্নিকাণ্ডের পর বন্ধ ব্র্যাক সেন্টার

আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ১৭:২৭
 
শনিবার অগ্নিকাণ্ডের পর বন্ধ রাখা হয়েছে মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টার। ভবনটির সবকিছু ব্র্যাক সেন্টারের কতৃপক্ষ পরীক্ষা করে দেখছে।
 
রবিবার দুপুরে বন্ধ ছিল ব্র্যাক সেন্টারের মূল ফটক। সেখানে কয়েকজন আনসার সদস্যকে বসে থাকতে দেখা গেছে। এ ছাড়াও ফটকের সামনে রয়েছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। নিরাপত্তারক্ষীরা জানিয়েছেন, শনিবার সন্ধ্যায় অগ্নিকাণ্ডের পর রাতেই সেন্টার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় হয়। কবে ব্র্যাক সেন্টার খোলা হবে তা জানাতে পারেননি তারা।
 
এদিকে ব্র্যাক সেন্টার বন্ধ থাকার খবর না পাওয়ায় গাজীপুরের কালিয়াকৈর থেকে চাকরির জন্য জীবনবৃত্তান্ত দিতে এসে বিপাকে পড়েছেন আলমগীর হোসেন নামের এক ব্যক্তি।
 
তিনি বলেন, 'হঠাৎ করে ব্র্যাক সেন্টার বন্ধ দেখে ঝামেলায় পড়ে গেছি। কোথায় সিভি জমা দেব বুঝতে পারছি না।'
 
এ বিষয়ে ব্র্যাক সেন্টারের পরিচালক (অ্যাডভোকেসি) কে এম মোরশেদ জানান, বন্ধের ঘোষণা শুধু নিজস্ব কর্মীদের জানানো হয়েছে। তিনি বলেন, "শনিবার রাতে দমকল বাহিনী ক্লিয়ার করে দিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এটা আমাদের ইন্টারনাল ফায়ার প্রসিডিওর। যদি আগুন লাগে 'উই নিড এ ফুল স্ট্রাকচারাল রিপোর্ট'। সেটা হচ্ছে আজ (রবিবার)। এখন পুরো ভবনে যা যা আছে সবকিছু চেক করা হচ্ছে।"
 
ভবনটি নির্মাণের শুরু থেকেই প্রতি তলায় আগুন নেভানোর সব ধরণের ব্যবস্থা রয়েছে। তাছাড়া ছয় মাস পর পর ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে মহড়াও হয় বলে জানান তিনি।
 
এতকিছুর পরও আগুন লাগার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'প্রাথমিকভাবে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গেছে, একটা ফ্যানের শর্ট সার্কিট হয়েছে। ফ্যানটা বন্ধ ছিল, ওটা কম্পিউটারের রুম। এটা একটা মেকানিক্যাল ফেইলিওর ছিল, তবে পরবর্তীতে তা প্রপারলি হ্যান্ডল করা হয়েছে।'
 
শনিবার সন্ধ্যায় ব্র্যাক সেন্টারে আগুন লাগলে দমকল বাহিনীর সদস্যরা কয়েকটি ইউনিট নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। আগুন নিয়ন্ত্রণকারী দলের প্রধান ফায়ার সার্ভিস সদর দফতরের উপ-পরিচালক (ঢাকা মহানগর) মোজাম্মেল হক বলেন, 'ব্র্যাক সেন্টারে আগুন নেভানোর আধুনিক সুযোগ সুবিধা রয়েছে। আগুন লাগার পর সেখানে গেলে দমকল বাহিনী তাদের সহযোগিতা পেয়েছে।'
 
প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটকে আগুন লাগার কারণ হিসেবে মনে করলেও প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে তদন্ত কমিটি করা হবে বলে জানান তিনি। বিডি নিউজ।