আট হাজার কোটি টাকা কমিয়ে সংশোধিত এডিপির খসড়া চূড়ান্ত

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০১৯, ২২:৪৭

চলতি অর্থবছরের (২০১৮-১৯) শুরুতে নেওয়া বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) হতে প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার সংশোধিত এডিপির (আরএডিপি) খসড়া চূড়ান্ত করেছে পরিকল্পনা কমিশন। এতে পরিবহন, বিদ্যুত্ ও অবকাঠামো খাতের প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার পরিকল্পনা কমিশনের বর্ধিত সভায় আরএডিপির এ খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। আরএডিপির এ খসড়া আগামী মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) বৈঠকে উপস্থাপনের কথা রয়েছে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ও এনইসি চেয়ারপরসন শেখ হাসিনার সম্মতি পেলে তা চূড়ান্ত করা হবে বলে পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, মূল এডিপি থেকে বৈদেশিক সহায়তা অংশে ৯ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৫১ হাজার কোটি টাকা করা এবং সরকারি তহবিলের (জিওবি) অংশে ১ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে আরএডিপিতে। এতে আরএডিপির আকার দাঁড়াবে ১ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকা। তবে এর বাইরে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ৯৬১৯ কোটি টাকা ধরে মোট সংশোধিত এডিপির আকার হবে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬১৯ কোটি ৭১ লাখ টাকা।

অর্থবছরের শুরুতে ৬০ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক উত্স, ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকার সরকারি অংশ এবং ৭ হাজার ৮৬৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার অর্থায়নসহ মূল এডিপির আকার ছিল ১ লাখ ৮০ হাজার ৮৬৯ কোটি টাকা। স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বাদে এর আকার ছিল ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, সংশোধিত এডিপিতে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্রকল্পসহ মোট বরাদ্দযুক্ত অন্তর্ভুক্ত প্রকল্প থাকছে ১৯১৬টি। মূল এডিপিতে মোট প্রকল্প সংখ্যা ছিল ১৪৫১টি প্রকল্প। সংশোধিত এডিপিতে বরাদ্দহীনভাবে ৯৮৭টি নতুন প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে বৈদেশিক সহায়তা প্রাপ্তির সুবিধার্থে ২৫৬টি বরাদ্দহীন অননুমোদিত নতুন প্রকল্পও যোগ করা হচ্ছে।