সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি) চুক্তির আওতায় একটি চীনা কোম্পানি পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া পয়েন্টে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ দ্বিতীয় পদ্মা বহুমুখি সেতু নির্মাণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এই বিষয়ে বলেন, 'পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া পয়েন্টে দ্বিতীয় পদ্মা বহুমুখি সেতু নির্মাণের জন্য আমরা অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) মাধ্যমে বিদেশী ঋণ চেয়েছি।'
তিনি বলেন, এ সরকার নীতিগতভাবে এই প্রস্তাবিত সেতুর প্রাথমিক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (পিডিপিপি) অনুমোদন করেছে এবং এটা বিল্ড, ওউন, অপারেট এন্ড ট্রান্সফার (বিওওটি) এর ভিত্তিতে সরকারি- বেসরকারি অংশীদারিত্বের আওতায় নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
কাদের বলেন, সরকার রাজধানীর সঙ্গে যশোর, কুষ্টিয়া, মাগুড়া, ঝিনাইদহ ও অন্যান্য দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলাগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য এই দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি বলেন, এই সেতুর নির্মিত হলে দক্ষিণ-পশ্চিম ও দেশের অন্যান্য এলাকার ব্যবসা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে ও বাড়তি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়ক হবে।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, চীনা কোম্পানি 'চীনা কম্যুনিকেশন্স কনাট্টাষ্কশন্স কোম্পানি লি.' সরকার টু সরকার চুক্তির আওতায় এই সেতু নির্মাণে আগ্রহ ব্যক্ত করেছে। তিনি জানান, ২০১১ সালে অনুমোদিত পিডিপিপির অনুযায়ী এই সেতু নির্মাণের প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে এক দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার (১৩ হাজার ১২১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা)।
এর আগে ২০১১ সালের ২৭ অক্টোবর মন্ত্রিসভার অর্থনীতি বিষয়ক কমিটি সরকারি- বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) উদ্যোগের আওতায় বিল্ড-ওউন অপারেট এন্ড ট্রান্সফার (বিওওটি)-এর ভিত্তিতে এই দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদন করে।
