সীতাকুণ্ডে মনোনয়নপত্র ছিনতাই, আহত ১

আপডেট : ০৩ মার্চ ২০১৬, ১২:১৫
সীতাকুণ্ডে বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদে, সাধারণ এবং সংরক্ষিত নারী আসনসহ মোট ৪৯০ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। অপরদিকে নৌকা প্রতীক সমর্থকদের হামলায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী গুরুতর আহত হন এবং মনোনয়নপত্র ছিনিয়ে নিয়ে নেয়া হয়।
 
জানা যায়, বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ৯টি ইউনিয়নের নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করার জন্য আওয়ামী লীগে ৯জন, বিএনপির ৯জন, স্বতন্ত্র ১২জন হলেও ৪নম্বর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী, জাতীয় পাটি একজন, ইসলামী ফ্রন্টের ৩জনসহ মোট ৩৪জন চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী এবং এছাড়া সাধারণ আসনে (মেম্বার) ৩৮৩জন, সংরক্ষিত আসনে (নারী) ৭৩ জন প্রার্থী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা পরান্ধু চাকমার কাছে মনোনয়ন পত্র জমা দেন। 
 
তবে ৪নম্বর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম বাহার গত ২২ ফেব্রুয়ারি ইউনিয়ন কাউন্সিলর ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এছাড়া ৫নম্বর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে মো. ইসমাইল এবং ৪নম্বর ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী আসনে (১,২ ও ৩নম্বর ওয়ার্ডে) জিনাত রেহানা বিনা প্রতিন্ধীতায় জয়ী হবেন।
 
অপরদিকে ২নম্বর বারৈয়াঢালা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রেহান উদ্দিন রেহান কাউন্সিলর ভোটার সৃষ্টির লক্ষ্যে ইচ্ছে মতো  কমিটি গঠন করার অভিযোগ উঠে। যারা তার বিপক্ষে তাদেরকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করার কারণে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আবু জাফর কাউন্সিলর ভোট প্রত্যাখান করেন। তাই আবু জাফর গত বুধবার বিকাল ৪টায় মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার জন্য তার স্ত্রী, শ্বশুর ও ভাইকে পৌরসদরের আপন হোটেলে রেখে কিছু কাগজপত্র ফটোকপি করতে যান। 
 
এ সময় নৌকা প্রার্থী রেহান চেয়ারম্যান সমর্থকরা তার শ্বশুরের কাছ থেকে জাফরের মনোনয়নপত্র ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার মূর্হুতে জাফর সেখানে উপস্থিত হয়ে বাধা দিলে নৌকা সমর্থকরা গাছ দিয়ে তাকে এলোপাথারি পিটিয়ে তার হাত ভেঙ্গে দেয়াসহ রক্তাক্ত গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজন জাফরকে সীতাকুণ্ডে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। 
 
এ ব্যাপারে রেহান চেয়ারম্যান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, 'ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না এবং আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।'