সোহাগী জাহান তনু হত্যার বিচারের দাবিতে এবং এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী কোন মন্তব্য না করায় শাহবাগ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অভিমুখে যাত্রা করে ছাত্র ইউনিয়ন। কিন্তু পুলিশের বাঁধায় শাহবাগেই শেষ হয় তাদের যাত্রা। এ সময় ধস্তাধস্তিতে উভয় পক্ষের ৪ জন আহত হন।
বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে শাহবাগে জাতীয় গ্রন্থাগারের সামনে তাদের আটকে দেওয়া হয়। এ সময় উভয়পক্ষে ধস্তাধস্তিতে দুই নারী পুলিশসহ চারজন আহত হয়েছেন। আহত অন্য দুজনের মধ্যে দীপক শীল কবি নজরুল কলেজ শাখা ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি। অন্যজন নাছিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী।
ছাত্র ইউনিয়ন গত সোমবার তনুর হত্যাকারীরে গ্রেপ্তারে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেয়। ওই সময় পেরোনোর পরেও এ হত্যা রহস্য উন্মোচনে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় এদিন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে যাত্রা করে তারা।
বেলা ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির রাজু ভাস্কর্য থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে কেন্দ্রীয় মসজিদের ফটক দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে যাত্রা শুরু করে। সোয়া ১২টার দিকে শাহবাগে জাতীয় গ্রন্থাগারের সামনে এলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির পর সেখানে সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ করে ছাত্র ইউনিয়ন।
ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি লাকী আক্তার বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী ছোটখাটো অনেক ঘটনা নিয়ে কথা বলেন। কিন্তু সোহাগী জাহান তনুর ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় তিনি এখন পর্যন্ত নির্লিপ্ত। তাই প্রধানমন্ত্রীর নির্লিপ্ততার কারণ জানতে তার কার্যালয় অভিমুখে যাত্রা করেছিলাম, যাতে পুলিশ বাধা দেয়।' বিডি নিউজ।
