লিবিয়ার সরকারকে সামরিক সহায়তার জন্য প্রস্তুত থাকতে আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাঁ-মার্ক আরাউল্ত।
জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রবাসে গঠিত লিবিয়ার ‘ঐক্যের সরকারের’ নেতারা বৃহস্পতিবার রাজধানী ত্রিপোলি পৌঁছেছেন। জাতিসংঘ দেশটির সব পক্ষকে নতুন সরকারের আনুগত্য মেনে নিয়ে তাদের হাতে ‘শান্তিপূর্ণভাবে’ ক্ষমতা তুলে দিতে বলেছে।
তবে ত্রিপোলি দখল করে রাখা ইসলামপন্থী সরকার জেনারেল ন্যাশনাল কংগ্রেস নতুন এ সরকারের নেতাদের আগমনকে ‘অনুপ্রবেশ’ আখ্যায়িত করায় সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ত্রিপোলির ক্ষমতাসীন প্রশাসন নতুন আসা নেতাদের হয় আত্মসমর্পণ কিংবা দ্রুত লিবিয়া ছাড়তে বলেছে।
ফ্রান্সের এক সংবাদপত্রকে আরাউলত বলেন, লিবিয়া নিয়ে আঞ্চলিক ও এর বাইরের সব দেশ উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, গোলযোগ দেশটিতে দ্রুত সন্ত্রাসবাদ বিস্তারে সহায়তা করছে। এটা ওই অঞ্চল ও ইউরোপের জন্য হুমকি।
ফরাসী পররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপে ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিরা সিরিয়া ও ইরাকে পিছু হটছে। এ প্রেক্ষাপটে জিহাদিরা লিবিয়ায় ঘাঁটি গড়ার চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, লিবিয়ার জাতীয় ঐক্যের সরকারের মনোনীত প্রধানমন্ত্রী ফায়েজ আল-সারাজ সামরিক সাহায্যসহ সহায়তার আহ্বান জানালে তাতে সাড়া দিতে আমাদেরকে অবশ্যই প্রস্তুত থাকতে হবে।
জাতিসংঘ সমর্থিত নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী ফায়েজ আল-সারাজসহ মোট সাতজন সদস্য তিউনিসিয়া থেকে নৌপথে ত্রিপোলিতে যান। ত্রিপোলি নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র গ্রুপের হামলার আশঙ্কার কারণে তারা বিমানে সেখানে যেতে পারেননি। ত্রিপোলির একটি নৌঘাঁটিতে অবস্থান করছিলেন তারা।
