সুনামগঞ্জে কৃষক আনজু মিয়া হত্যা মামলায় পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। অপরদিকে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত ছয়জনকে মামলা থেকে খালাস দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা জজ প্রণয় কুমার দাশ এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুর রহিম, এরশাদ মিয়া, জুলহাস মিয়া ও এমরান মিয়া ও মহরম আলী একই গ্রামের বাসিন্দা। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন, আব্দুস ছালাম, মধু মিয়া, আব্দুল মান্নান, এয়াকুব আলী ওরফে ইয়াকুব আলী, আবুল কাশেম ও অলিউর রহমান।
সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সোহেল আহমেদ ছইল মিয়া তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এদের মধ্যে এরশাদ মিয়া, জুলহাস, এমরান মিয়া পলাতক রয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০৬ সালের ১৫ নভেম্বর সকাল সাড়ে নয়টার দিকে তাহিরপুর উপজেলার সুন্দরপাহাড়ী গ্রামের মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুস সালাম বাড়িতে ছিলেন। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই গ্রামের আব্দুর রহিম, এরশাদ মিয়া, জুলহাস, এমরান মিয়া, মহরম আলী, আব্দুস ছালাম, মধু মিয়া, আব্দুল মান্নান, এয়াকুব আলী ওরফে ইয়াকুব আলী, আবুল কাশেম ও পার্শ্ববর্তী মোদেরগাঁও গ্রামের অলিউর রহমান বাক্কি রামদাসহ ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে হত্যা করে।
ওইদিন বিকেলে আনজু মিয়ার ছেলে নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে তাহিরপুর থানায় তাদের নামে হত্যা মামলা করেন।
তদন্ত শেষে পুলিশ আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জসিট দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি শেষে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আব্দুর রহিম, এরশাদ মিয়া, জুলহাস, এমরান মিয়া ও মহরম আলীকে মৃতুদণ্ডের আদেশ দেন।
অপরদিকে সাক্ষ্য প্রমাণের প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত ওই ছয়জনকে খালাস দেয়।
রষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট সোহেল আহমদ ছইল মিয়া। পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স কৌশলী অ্যাডভোকেট মো. এম এ আশরাফ ও উপস্থিত আসামিদের পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন।
