ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছে, ২০১৩ সালে সংঘটিত রানাপ্লাজা ট্র্যাজেডির পর পোশাকখাতের সুশাসন নিশ্চিত করতে সরকার ও বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার বিভিন্ন (মোটাদাগে ১০২টি) উদ্যোগ নিয়েছে। এরমধ্যে ৩৯ শতাংশ (২০১৬ সালের মার্চ পর্যন্ত) সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়েছে। আর ৩৮ শতাংশ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সন্তোষজনক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। অর্থাত্ ৭৭ শতাংশ উদ্যোগের বাস্তবায়ন সন্তোষজনক। মাত্র তিন বছরের মধ্যে এ খাতের অবকাঠামো উন্নয়নসহ এ ধরনের উন্নতি আন্তর্জাতিকভাবেই স্বীকৃতি পাওয়ার দাবি রাখে।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ টিআইবি কার্যালয়ে ‘তৈরি পোশাক খাতে সুশাসন: অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশকালে এসব কথা জানান টিআইবির নির্বাহি পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। সভায় গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন টিআইবির রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি বিভাগের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মনজুর ই খোদা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির উপ-নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের, রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান এবং সহকারী প্রোগ্রাম ম্যানেজার নাজমুল হুদা মিনা।
সংবাদ সম্মেলনে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, পোশাক খাতে সুশাসন আনতে সন্তোষজনক পদক্ষেপ নেয়া হলেও কিছু পদক্ষেপ এখনও স্থবির হয়ে আছে। এগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। আর যে উদ্যোগগুলো বাস্তবায়ন হয়েছে সেগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণ করা দরকার। এরপক্ষে যুক্তি দিয়ে তিনি বলেন, প্রায় ৯০ শতাংশ কারখানা ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়ন করেছে। কিন্তু ন্যূনতম মজুরির পরিমাণ নিয়েই এখন নানা কথা হচ্ছে। কারণ জীবনযাত্রার ব্যয় ও বর্তমান মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় ন্যূনতম মজুরির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম। এছাড়া কারখানার নিরাপত্তা ও অগ্নি নিরাপত্তা ইস্যুতে কমপ্লায়েন্স সন্তোষজনক হলেও বিজিএমইএ বহির্ভূত অন্তত ৭০০ কারখানা রয়েছে যেগুলো কমপ্লায়েন্সের আওতার বাইরে। এ কারখানাগুলো নিয়ে ভাবা প্রয়োজন।
