চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্পূর্ণ কার্যক্রম চলছে একজন শিক্ষক দিয়ে। আরো ছয়টি বিদ্যালয়ে দুইজন করে ১২ জন শিক্ষক পাঠদান করছেন।
সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে পদ থাকলেও কেউ যেতে চায় না বলে জানা গেছে। রাজনৈতিকভাবে অনেক শিক্ষকে এ বিদ্যালয়ে স্থানান্তর বা নিয়োগের আদেশকে কাটিয়ে নিচ্ছেন বলেও সূত্রে জানা গেছে।
যে কারণে উপজেলার এ সাতটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদানের মান শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন। সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রতিটি বিদ্যালয়ে কমপক্ষে চারজন করে শিক্ষক থাকার কথা।
হাজীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে, উপজেলার ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের চারিয়ানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রয়েছেন একজন শিক্ষক। এছাড়া উপজেলার ৭নং বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের সমেশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১নং রাজারগাঁও ইউনিয়নের মেনাপুর পীর বাদশা মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালোচোঁ উত্তর ইউনিয়নের চিলাচোঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের গন্ধর্ব্যপুর শ্যামলী গুচ্ছগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গন্ধর্ব্যপুর উত্তর ইউনিয়নের সর্বতারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুইজন করে শিক্ষক রয়েছেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) একেএম মিজানুর রহমান তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক পাঠানো হবে।’
