মহানগরীতে ইউনিয়ন তথ্যকেন্দ্র্রে চাকরির নামে যুবকদের প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শুক্রবার সকালে নগরীর সাধুরমোড় এলাকা থেকে দুই নারীসহ পাঁচজনকে পুলিশ আটক করেছে। তবে থানা থেকে আটকদের নাম পরিচয় সাংবাদিকদের জানানো হয়নি।
জানা যায়, নগরীর সাধুর মোড়ে অবস্থিত ‘স্বেচ্ছাসেবী সমাজ উন্নয়ন কর্ম সংস্থা’ নামক প্রতিষ্ঠানটি চারটি পদে নিয়োগের জন্য পাবনা এবং নওগাঁ জেলার ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে এবং উদ্যোক্তাদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পাঠায়। এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয় উদ্যোক্তাদের ই-মেইল এবং মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে। শুক্রবার ওই চারটি পদের পরীা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সকালে পরীা দিতে আসেন নওগাঁ এবং পাবনা জেলার প্রায় ৬০০ পরীার্থী যুবক।
পরীক্ষার্থী যুবকরা জানান, বিভিন্ন পদে নিয়োগ পরীা বাবদ ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করে নিয়োগ কারীরা। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স কিংবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সুপারিশ আছে কিনা জানতে চাইলে তারা তা দেখাতে পারেন না। ফলে পরীার্থীদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। অবশেষে তাদের অবরুদ্ধ করে পুলিশে খবর দেয় পরীক্ষার্থীরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
নওগাঁর ধামুরহাটের পরীক্ষার্থী আব্দুর রহিম মিঠু অভিযোগে বলেন, আমাদের মোবেইলে এসএমএসের মাধ্যমে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে। আমরা এসএমএস পেয়ে ১২ জন মিলে বৃহস্পতিবার রাতে রাজশাহী এসে হোটেলে উঠেছি। এরপর ওই সংস্থার কার্যালয়ে গেলে তারা ডাটা এট্টি পদে পরীা শুরুর আগেই প্রত্যেকের নিকট থেকে ১৫০ টাকা করে নেয়। বলা হয় পরীার পরই ফলাফল প্রকাশ এবং নিয়োগপত্র দেয়া হবে। কিন্তু তাদের কাছে নিয়োগের জন্য ইউএনও কিংবা জেলা প্রশাসকের কোনো অনুমতি ছিল না। নিয়োগ পরীক্ষার নামে অর্থ লোপাটের চেষ্টা করছিল সংস্থাটি।
পাবনার আরেক পরীার্থী মামুনর রশীদ বলেন, এর আগের পরীার্থীদের সাথে আমার কথা হয়েছিল। একইভাবে কিছু দিন আগে আরেকটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পরীক্ষা নিয়েছিল সংস্থাটি। কিন্তু ওই পরীক্ষার ফল এখনো প্রকাশ করা হয়নি। কাউকে নিয়োগও দেয়া হয়নি। কিন্তু নিয়োগ পরীার খরচের নামে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করা হয়েছে।
