আত্মবিশ্বাস বাড়ছে অনূর্ধ্ব—২৩ দলের

আপডেট : ১৮ মার্চ ২০১৯, ২১:১৪

দোহায় আজ দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচ

স্পোর্টস রিপোর্টার

কাতারের রাজধানী দোহায় অনুশীলন ক্যাম্পে থাকা অনূর্ধ্ব—২৩ ফুটবলারদের যেন আত্মবিশ্বাসটা আগের চেয়ে বাড়ছে। সেখানকার পরিবেশ অনুশীলন পাঠ, অনুশীলনের সুযোগ-সুবিধা, উন্নত জীবন-যাপনের সঙ্গে দারুণ মানিয়ে নেওয়া বাংলার ফুটবলাররা উজ্জীবিত হচ্ছেন। সামনের খেলাগুলোর জন্য আত্মবিশ্বাস পাচ্ছে। আগামীকাল অনূর্ধ্ব—২৩ ফুটবল দল দোহায় আরেকটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে। দোহার আল আরাবিয়া ক্লাবের বিপক্ষে এবং তাদের নিজেদের মাঠে আগামীকাল বাংলাদেশের সময় রাত ১০টায় খেলা। ১৫ মার্চ প্রথম প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল আল সাহানিয়া স্পোর্টস ক্লাবের বিপক্ষে। ১-০ গোলে জয় পাওয়ার পর আরেকটি ম্যাচ খেলার তাগিদ বেড়েছে দলের ব্রিটিশ কোচ জেমি ডে এবং তার খেলোয়াড়দের। আরেকটি ম্যাচ খেলার দরজা খুলে যায়। দ্বিতীয় ম্যাচটি খেলার জন্য উদগ্রীব মতিন মিয়া, রহমত মিয়া, ইব্রাহিম, সুফিলরা। আরেকটা জয় নিয়ে কাতার ছাড়তে চান বাংলাদেশের অলিম্পিক ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা।

১০ দিনের কন্ডিশনিং ক্যাম্প করতে দোহায় গেছে অনূর্ধ্ব—২৩ ফুটবল দল। সেখান থেকে বাহরাইন যাবে এএফসি অনূর্ধ্ব—২৩ ফুটবলের গ্রুপ পর্বের বাছাইয়ে অংশগ্রহণ করতে। বাছাইয়ের আগে যেন প্রস্তুতিটা ভালো হয় সেজন্যই দোহায় ফুটবল পাঠ নিচ্ছেন জেমি ডের খেলোয়াড়রা। গতকাল সকালে দুই ঘন্টা কঠোর অনুশীলন করেছে শিতল, জাফর ইকবাল, বিশ্বনাথ ঘোষ, আরিফুর রহমান, আশরাফুল ইসলামরা। দুপুরের অনুশীলনের পর বিকালে সুইমিংপুলে নামানো হয় খেলোয়াড়দের। কাতারে অনুশীলনরত ফুটবল দলের সূত্রে জানা গেছে ডিফেন্ডার ইয়াসিন আরাফাত কোচ জেমি ডের  আধুনিক অনুশীলন, তার ফুটবল ট্যাকটিস দলের জন্য খুবই কাজে আসছে। ইয়াসিন আরাফাত কাতারের ফুটবল অবকাঠামো দেখে খুশি এবং সেই সঙ্গে এই ফুটবলার সেখানে বলেছেন কাতারে ফুটবল অনুশীলনের সুযোগ-সুবিধাগুলো কাজে এসেছে। তাদের ফিটনেস ট্রেনিংয়ে অনেক উপকার হয়েছে। তার পরিশ্রম অন্যদের চেয়ে আলাদা। ফুটবলাররা জানিয়েছেন তারা আজকে আরেকটি প্রীতি ম্যাচ জিততে চান। কাতারের কন্ডিশনিং ক্যাম্পের সুফল পাওয়া যাবে বাহরাইনে।

বাহরাইনে বি গ্রুপে খেলবে বাংলাদেশ। ২২ মার্চ স্বাগতিক বাহরাইন, ২৪ মার্চ ফিলিস্তিন এবং ২৬ মার্চ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলা। এএফসি কাপের এই বাছাই টুর্নামেন্ট হতে দ্বিতীয় পর্বে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না বাংলাদেশ। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিচার করলে দেখা যায় প্রায় সবই হারের গণ্ডিতে আটকে রয়েছে। ২০১৬ সালের বাছাই হয়েছিল ২০১৫ সালে। সেই বাছাইয়ে সিরিয়ার কাছে ৪-০ গোলে, উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ৪-০ গোলে হারলেও ভারতের কাছে ০-০ ড্র করে বাংলাদেশ। ২০১৮ সালের বাছাই হয়েছিল ২০১৭ সালে। সেখানেও তিনটি ম্যাচ খেলে গ্রুপ পর্বে। জর্ডান ৭-০ গোলে, তাজিকিস্তান ৩-১ গোলে এবং ফিলিস্তিন ৩-০ গোলে বাংলাদেশকে হারায়। এবার বাহরাইনে দ্বিতীয় প্রতিপক্ষ ফিলিস্তিন।