কামারখন্দ উপজেলার জামতৈল গ্রামে দুটি অসুস্থ্য গরু জবাই করে কাটা-ছেড়া ও ভাগবাটোয়ারা করে খাওয়ায় শিশু, নারীসহ ২০ জন আক্রান্ত হয়েছে।
এরা হলেন- রমজান আলীর ছেলে আলম (৩৮), জামাল উদ্দিনের মেয়ে সোনেকা খাতুন (৩০), বাহাদুর শেখের ছেলে আব্দুস ছালাম (৪০), আব্দুস সালামের মেয়ে সালেকা (১৩), লোকমান হোসেনের ছেলে ইব্রাহিম হোসেন (১৮), রাজু মিয়ার স্ত্রী হোসনে আরা খাতুন (২৫), আব্দুল রশিদের ছেলে সোহান (৭), তক্ষি শেখের ছেলে হাছান আলী (৪৫), হাজী পরান আলীর ছেলে আবুল কালাম (৫৫), বৃদ্ধ কছির উদ্দিন (৬৫), রবু আলীর ছেলে রফিক হোসেন (৪০), মাদন আলীর স্ত্রী সাহের বানু (৫৫), আব্দুল আলীমের শিশু কন্যা আরজিনা খাতুন (৩), ভক্ত মিয়া (৫৫), আদেল আলী (৬০), রফিকের ছেলে রুবেল (১২), আবুল কালামের স্ত্রী হাজরা খাতুন (৪০), রাজুর মেয়ে রাবেয়া (১০)। এদের গত কয়েক দিন আগে শনাক্তের পর চিকিৎসা সেবার আওতায় আনা হয়েছে বলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে।
জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল জামতৈল গ্রামের আবুল কালামের গাভী এবং গত ৬ মে বুদ্দুর একটি বলদ অসুস্থ্য হয়ে পড়লে জবাই করে এলাকার প্রায় ৫০টি পরিবার স্বল্প মূল্যে মাংস ভাগাভাগি করে নেয়। ওই গরুর মাংস কাঁটা-ছেড়ার সঙ্গে জড়িত শিশু, নারী-পুরুষসহ ২০ জন অসুস্থ হয়। এদের হাত-পায়েসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে দেখা দেয় ঘাঁ।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরিফুল ইসলাম জানান, আমরা জানা মাত্র রোগীদের শনাক্ত করে চিকিৎসা সেবার আওতায় এনেছি। এতে ভয়ের কিছু নেই। নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শে চলাচল এবং ওষুধ খেলে কিছু দিনের মধ্যেই ভাল হয়ে যায়। তবে অসুস্থ্য পশু খাওয়া থেকে আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
