ভোলার মনপুরায় শনিবার ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে বিচ্ছিন্ন চরনিজাম ও কলাতলীর চরের ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। অস্বাভাবিকভাবে জোয়ারের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় তীব্র ঢেউয়ের আঘাতে বেরিবাঁধ ভেঙ্গে জোয়ারের পানি ভিতরে ঢুকছে।
জোয়ারের পানি ভিতরে প্রবেশ করায় লক্ষাধিক মানুষের মাঝে আতংক বিরাজ করছে। বেশ কয়েকটি স্থানে বেবিবাঁধে ফাটল দেখা গেছে। এছাড়া প্রায় পাঁচ শতাধিক ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। কলাতলী চরের চেয়ারম্যান বাজারের পশ্চিম পাশে বেলালের স্ত্রী ছলেমা খাতুন (৪০) জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে।
সরেজমিনে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে দেখা গেছে, বিচ্ছিন্ন চরনিজাম ও কলাতলী চরে বেরিবাঁধ না থাকায় প্রচণ্ড বাতাসের কারণে জোয়ারের পানি চরাঞ্চলের ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে যায়। এতে করে কাচা ঘরবাড়ি মালামাল পানিতে ডুবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
মনপুরা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেলিনা আকতার চৌধুরী বলেন, ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর প্রভাব সম্পর্কে স্থানীয় জনসাধারণকে সর্তক করা হয়েছে। আমরা আশ্রয় কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রেখেছি। প্রশাসন ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোলরুম চালু রেখেছে।
