চরভদ্রাসন উপজেলার চরাঞ্চলের অসহায় দুস্থ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের বরাদ্দকৃত একমাত্র সি-অ্যাম্বুলেন্সটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অযত্ন-অবহেলায় নষ্ট হওয়ার পথে। ২০১৩ সালের ২২ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কেন্দ্রীয় ওষুধাগার হতে চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স/ওয়ান বেড স্যালাইন বোট দেয়। ওই সময় এটি হাসপাতালের পক্ষে গ্রহণ করেন তত্কালীন উপজেলা স্বাস্থ্য প.প. কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান। উপজেলার চরাঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রায় তিন বছর আগে অ্যাম্বুলেন্সটি উপজেলা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাবেক হরিরামপুর ইউপি চেয়ারম্যান কেএম ওবায়দুল বারী দিপুর দায়িত্বে দেয়া হয়। যাতে করে চরাঞ্চলের নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ সকল রোগীকে হাসপাতালে আনা সম্ভব হয়। স্থানীয়রা জানায়, সি-অ্যাম্বুলেন্সটি বছরের পর বছর অযত্নে কাদামটির ভিতর পড়ে থেকে এখন ধ্বংসের শেষপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সটি প্রথমে এক বছর উপজেলার গোপালপুর ঘাটে পড়েছিল। পরে সেটিকে সরিয়ে সদর ইউনিয়নের জাকেরের শুরা খালের ভিতর প্রায় দুই বছর কাদামাটিতে ফেলে রেখে নষ্ট করা হচ্ছে।
হরিরামপুর ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান ওবায়দুল বারি দিপু বলেন, উপজেলা পরিষদ থেকে এটি আমার তত্ত্বাবধানে দেয়া হলেও এর সঙ্গে কোনো চালক না দেয়ার পাশাপাশি এর ইঞ্জিন খুবই দুর্বল হওয়ায় নদীপথে রোগী আনা-নেয়া সম্ভব হয় না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা সিদ্দিকা বলেন, চরাঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অতি দ্রুত এটি সংস্কার করে হরিরামপুর ইউনিয়নের নতুন ইউপি চেয়ারম্যান মো. আমীর খানের তত্ত্বাবধানে দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
