শুধু একটি সেতুর অভাবে বিচ্ছিন্ন রয়েছে ঢাকা ১৪ আসনের কাউন্দিয়া ইউনিয়ন গ্রামটি। এখানে প্রায় ২ লাখ মানুষের বসবাস। বর্তমানে তাদের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম নৌকা। যা এখন তৈরি হয়েছে মরণ ফাঁদে। প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজার মানুষ খেয়া পারাপার হয়। মাঝপথে চলাচল করে বিশাল আকৃতির জাহাজ। জাহাজের আঘাতে এই পর্যন্ত হাজার মানুষের জীবন গেছে। গেল সপ্তাহে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এই নদীতে। এখন নৌকা পার হওয়াটা একটা আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। চারদিক পানিবেষ্টিত ইউনিয়নের আয়তন ১১ দশমিক ৪৭ বর্গমাইল। ২২টি গ্রাম আছে। মিরপুর দিয়াবাড়ি থেকে সাভার থানাধীন কাউন্দিয়া ইউনিয়নের দূরত্ব মাত্র কয়েক শ গজ প্রশস্ত তুরাগ নদ। সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত শ তিনেক নৌকায় পারাপার চলে মিরপুরের দিয়াবাড়ি ও কাউন্দিয়ার মধ্যে। রাত ১২টার পর দুর্ভোগে পড়তে হয় বাসিন্দাদের। সেতু না থাকায় খেয়াপার হতে দিতে হয় অতিরিক্ত টোল। বৃষ্টির দিনে দুর্ভোগ আরো বাড়ে। দীর্ঘ লাইন ধরে নদী পারাপারের জন্য অপেক্ষা করতে হয়। এই দুর্ভোগ লাঘবে সেতুই একমাত্র উপায়। সেতুর অভাবে শিক্ষা, চিকিত্সা, বাসস্থান ও যাতায়াত ব্যবস্থাসহ নানা নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে পিছিয়ে আছে এখানকার বাসিন্দারা। সেতু হলে দ্রুত পালটে যাবে এখানকার মানুষের জীবনমান। একনেকের বৈঠকে মিরপুর-কাউন্দিয়া সেতু নির্মাণ অনুমোদিত হয়েছে। সড়ক এবং জনপথ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন এখানে ফোর লেইনে কিছু জটিলতায় সেতুটির অনুমোদন এখনো দেওয়া যাচ্ছে না। এই জটিলতার অবসান ঘটিয়ে দ্রুত সেতুটি টেন্ডারে এনে কাজ শুরু করা হোক।
ফারদিন আল সাজ
কাউন্দিয়া, সাভার, ঢাকা
