ক্যান্সারের চিকিত্সায় নতুন যুগের সূচনা

আপডেট : ০৫ জুন ২০১৬, ০২:৩৩
টিউমার থেকে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের চিকিত্সায় ব্যক্তিকেন্দ্রিক ড্রাগের ব্যবহার ভালো ফল বয়ে আনতে পারে। চিকিত্সকরা বলছেন, এই পদ্ধতি বর্তমানে একটি নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। এতে রোগীদের বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত করে এমন ওষুধ দেয়া হয় যা তার শরীরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।
 
চিকিত্সকরা রোগের ধরন অনুযায়ী রোগীকে ওষুধের নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে দেখা হয়, রোগীর ঝুঁকিসহ নানা বিষয়। সবকিছু বিবেচনায় এলেই তারা ঠিক করেন কোন ওষুধ প্রয়োগে ভালো ফল আসবে। ডাক্তারা জানিয়েছেন, এক্ষেত্রে তারা টিউমারের চিকিত্সায় অনেকটা উন্নতি সাধন করেছেন। আমেরিকান সোসাইটি অব ক্লিনিক্যাল অনকোলজির বার্ষিক সভায় অবশ্য তারা ‘প্রেসিসন মেডিসিন’ এর কথা বলেছেন। তবে অনেকের ক্ষেত্রে এটা ঠিকমতো কাজ করে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। তার বলেন, ক্যান্সারের কারণে স্বাভাবিক কোষগুলো নষ্ট হয়ে যায়। আস্তে আস্তে তা খারাপ থেকে খারাপের দিকে যায়। এই পদ্ধতিতে সকল রোগীর টিউমারগুলো পরীক্ষা করে দেখা হয়। এক্ষেত্রে তার জন্য কোনটা যথার্থ তা ঠিক করা হয়। সবকিছুর পর টিউমার ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংসে নির্দিষ্ট ওষুধ নির্বাচন করা হয়। যদিও এ পদ্ধতি খুব একটি নতুন নয়। নারীদের স্তন ক্যান্সারের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়ে থাকে।
 
যুক্তরাজ্যের ক্যান্সার গবেষণাগারের প্রধান অধ্যাপক পিটার জনসন বলেন, এই বিষয়টি শুধু নির্দিষ্ট ক্যান্সার কোষের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। এসবের ওপর ভিত্তি করেই চিকিত্সাপত্র দেয়া হয়। তবে মূল বিষয় হচ্ছে, প্রত্যেক বিষয়েরই আমাদের গভীরে যেতে হবে। আমি মনে করি, এক্ষেত্রে আমরা নতুন যুগে প্রবেশ করেছি। তিনি বলেন, এটা প্রযুক্তির দুনিয়া। ধাপে ধাপে সবকিছুরই উন্নতি হবে।