অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বিশ্বব্যাপী চলমান অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে সাত শতাংশের ওপরে প্রবৃদ্ধি অর্জন করে চলেছে। গত অর্থবছরে সাত দশমিক ৮৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে এবং চলতি অর্থবছরে আট দশমিক ১৩ শতাংশ হবে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে। আমরা স্বাস্থ্য, খাদ্য, শিক্ষাসহ প্রায় সকল খাতে অগ্রগতি অর্জন করেছি। ১০ বছর পূর্বের বাংলাদেশ আর বর্তমান বাংলাদেশ অনেক তফাত রয়েছে। বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেলে রূপান্তরিত হয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্যও উত্তম জায়গা। অগ্রগতির সকল খাতে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। গতকাল আগারগাঁওয়ে অর্থমন্ত্রীর দপ্তরে অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত্ করেন, বাংলাদেশে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পোসহ প্রতিনিধি দল। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ইউএনডিপির ২০১৭-২০২০ সালের মধ্যে প্রতিশ্রুত এক দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার সরকার পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করছে। জাতিসংঘ বাংলাদেশের অগ্রগতির পথে কোনো শর্ত আরোপ করে উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত না করে বরং বাংলাদেশকে তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে জাতিসংঘ সহযোগী হিসেবে কাজ করবে বলে মন্ত্রী আশা ব্যক্ত করেন। তিনি আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত হবে বলে আশা করেন।
মিয়া সেপ্পো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, নারীর কর্মস্থান ও নারী ক্ষমতায়নের প্রশংসা করেন এবং আগামীতে বাংলাদেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন। ইউএনডিপির অর্থায়নের নতুন রোডম্যাপ ২০২১-২০২৫ মেয়াদি তৈরি করা হবে। বাংলাদেশের ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জাতিসংঘ সহযোগিতা চালিয়ে যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
