যশোরের অভয়নগর উপজেলার বারান্দী গ্রামে সেপটিক ট্যাঙ্কে পড়ে চাচাতো দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন— হানেছ মুন্সীর ছেলে রমজান আলী (৪৫) ও ওমর আলীর ছেলে আবুল হাসান (৩৮)।
একটি মোবাইল ফোনের চার্জারের জন্য এ দুর্ঘটনার শিকার হন তারা। আহত হয়েছেন রমজানের স্ত্রী ও আবুলের ছোট ভাই।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার ভোররাতে রমজান আলীর ৭-৮ বছরের ছোট ছেলে মোবাইলের চার্জার নিয়ে বাথরুমে যায় এবং সেখানে সেটি হারিয়ে ফেলে। এদিন বিকেল সাড়ে চারটার দিকে রমজান চার্জারটি খুঁজতে সেখানে যান। কিন্তু বৃষ্টিতে নতুন তৈরি সেমি পাকা বাথরুমের চারপাশের মাটি নরম হয়ে দেবে যায় এবং রমজান সেপটিক ট্যাঙ্কের ভিতরে পড়ে যান। এ সময় তার দুই ছেলের চিৎকারে রমজানের স্ত্রী রোজিনা (৩২) সেখানে এসে একই পরিণতি বরণ করেন। দুই ভাইয়ের চিৎকার শুনে রমজানের দুই চাচাতো ভাই আবুল হাসান (৩৮) ও জহুরুল ইসলাম (৩০) উদ্ধারে এসে তারাও সেপটিক ট্রাঙ্কে পড়ে যান। এ সময় গ্রামের লোকজন এগিয়ে এসে সেপটিক ট্রাঙ্কের গ্যাস থেকে তাদের বাঁচাতে হাতপাখার বাতাস দিয়ে তাদের অক্সিজেন সরবরাহের চেষ্টা করেন এবং সতকর্তার সাথে কয়েকজন ভিতরে নেমে তাদের উদ্ধার করেন। এ সময় রমজানকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বাকি তিন জনকে খুলনা মেডিকেল কলেজে চিকিত্সার জন্য পাঠানো হয়। সেখানে সন্ধ্যা ৭টার কিছুক্ষণ পরে আবুল হাসানের মৃত্যু হয়।
