ভারতের লোকসভার সদস্য অভিজিৎ মুখার্জি বলেছেন, 'বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে যত বেশি আদান-প্রদান হবে তত বেশি তাদের মধ্যে দূরত্ব কমে আসবে এবং মৈত্রী বন্ধন বেশি সুদৃঢ় হবে।'
রবিবার ঢাকার ইস্কাটনে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সমিতির কার্যালয়ে মৈত্রী সমিতির কর্তৃক আয়োজিত সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী সমিতির সভাপতি প্রফেসর এ কে আজাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান, বেগম মাহজাবিন খালেদ এমপি, সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোজাফফর হোসেন পল্টু, ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এ সময় অভিজিৎ মুখার্জি বলেন, 'বাংলাদেশ ও ভারত বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সংস্কৃতি, ভাষা, ও আচার-আচরণ এক। দুদেশের মধ্যে ব্যবসা বাণিজ্য আরো প্রসার হলে এর মাধ্যমে দুদেশের মানুষের সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটবে।'
তিনি বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিম অঞ্চলের সীমান্ত এলাকায় আরো বেশী সংখ্যক বর্ডার হাট চালু এবং একই সাথে সীমান্তবর্তী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন। অভিজিৎ মুখার্জী আরও বলেন, 'বাংলাদেশের প্রচেষ্টার ফলে বাংলা আন্তর্জাতিক ভাষার মর্যাদা লাভ করেছে। তাছাড়া বিশ্বেও সর্বাধিক লোক বাংলা ভাষায় কথা বলে। এটা গৌরবের এবং অহংকারের।'
এ সময়ে অভিজিত ভারতীয় ভিসা সহজীকরণে তার সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন এবং সকল ক্ষেত্রে তাঁর সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
