ইত্তেফাক রিপোর্ট
বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের নিবেদনে গতকাল শিল্পী লাইসা আহমদ লিসার গানের সিডির মোড়ক উন্মোচন করা হলো। অতুলপ্রসাদ গোলাম মুরশিদ। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের ও মহাপরিচালক লুভা নাহিদ চৌধুরী এবং শিল্পী লাইসা আহমদ লিসা।
অধ্যাপক গোলাম মুরশিদ বলেন, অতুলপ্রসাদ নিজের বেদনাকে গানের কথায় সুরে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে পেরেছেন। এটাই মহত্ সাহিত্যের গুণ। রবীন্দ্রসঙ্গীত যেমন বাংলার প্রধান গান তার চেয়ে অনেক কম গান লিখেও অতুলপ্রসাদের গান বাংলার প্রধান ধারার গান হিসেবে বিবেচিত হয়। লিসার সম্পর্কে তিনি বলেন, বুলবুলি পাখির গান গাওয়া যেমন ধর্ম তেমনি লিসার ধর্মও গান গাওয়া।
লুভা নাহিদ চৌধুরী বলেন, অতুলপ্রসাদের গান লিসার কণ্ঠে নতুন মাত্রা পায়।
পরে লাইসা আহমদ লিসা তার অ্যালবামে স্থান পাওয়া গানগুলোর মধ্যে থেকে বেশকটি গান গেয়ে শোনান। লাইসা আহমদ লিসার ‘কে গো গাহিলে’ অ্যালবামটিতে যে গানগুলো রয়েছে সেগুলো হলো- ‘প্রবল ঘন মেঘ আজি’, ‘জল বলে, চল্’, ‘মন-পথে এল বনহরিণী’, ‘কে গো গাহিলে পথে’, ‘কে গো তুমি আসিলে অতিথি’, ‘কে আবার বাজায় বাঁশি’, ‘মেঘেরা দল বেঁধে যায়, ‘মধুকালে এল হোলি’, ‘মুরলী কাঁদে ‘রাধে রাধে’ ব’লে’, ‘আমি বাঁধিনু তোমার তীরে তরণী’।
আর আজ বৃহস্পতিবার সুস্মিতা দেবনাথ শুচি ও মোহিত খানের কণ্ঠে নজরুল সংগীতের যৌথ অ্যালবাম ‘নয়নের সেই সাধ’ এবং শুক্লা পাল সেতুর রবীন্দ্রসংগীতের ‘কাছে যবে ছিল’ অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন করা হবে। মোড়ক উন্মোচন করবেন সংগীতশিল্পী খায়রুল আনাম শাকিল এবং মিতা হক।
কার্জন হলে নাট্যোত্সব
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে ৬টি নাট্যদলের পরিবেশনায় এক দিনের নাট্যোত্সব অনুষ্ঠিত হলো গতকাল। শুরু হয় সন্ধ্যা সাতটায়। এরপর ৬টি নাটকের আখ্যানভাগ মঞ্চস্থ হয়। এগুলো হলো লোক নাট্যদল-‘মুজিব মানে মুক্তি’; বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি-‘হ্যামলেট’; ঢাকা পদাতিক-‘কথা ৭১’; থিয়েটার আর্ট ইউনিট-‘জনম দু:খী মা’; ঢাকা থিয়েটার-‘রায় কথকতা’;আরণ্যক নাট্যদল-‘মাটির মহাজন’।
উত্সবের উদ্বোধনী পর্বে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামান, একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ঢাকার জেলা প্রশাসক আবু সালেহ মো. ফেরদৌস খান। সম্মানিত অতিথি ছিলেন নাট্যব্যক্তিত্ব আতাউর রহমান।
শিল্পকলা একাডেমি ‘বাংলাদেশের শতবর্ষী নাট্যমঞ্চে নাট্যোত্সব ২০১৯’ আয়োজন করেছে। দেশের ২৬টি জেলার ৩৫টি নাট্যমঞ্চে এই উত্সব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে কার্জন হলেও অনুষ্ঠিত হলো এ উত্সব।
শুরু হয়েছে জাতীয় পুতুলনাট্য উত্সব
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে শুরু হয়েছে ‘জাতীয় পুতুলনাট্য উত্সব ২০১৯’। গত মঙ্গলবার থেকে পাঁচ দিনব্যাপী একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হল ও স্টুডিও থিয়েটার হলে উত্সবের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সারা দেশ থেকে ২৪টি দল এই উত্সবে অংশগ্রহণ করছে। আজ ২১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে বিশ্ব পুতুলনাট্য দিবসের আলোচনা, সম্মাননা প্রদান ও পুতুলনাট্য প্রদর্শনী। প্রদর্শনী শুরু হবে সকাল ১১টায়। প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত।
