কাজ শেষ করার পরদিনই সিংগাইর উপজেলার রামনগর-মানিকনগর নতুন পাকা সড়কটি ভেঙে গেছে।
স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তরের ৩ কি.মি এ রাস্তার ব্যয় বরাদ্দ ছিল ১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। ডলি কনষ্ট্রাকশন নামে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান গত ৩০ জুন শতভাগ কাজ শেষ দেখিয়ে বিল নিয়ে গেছেন। কিন্তু বিল নেয়ার পরদিনই ওই সড়ক ভেঙে ইট খোয়া ও বালু উঠে বড় ধরনের গর্ত হয়ে ধসে গেছে।
ওই সড়ক দিয়ে এখন যানবাহনতো দূরের কথা পায়ে হাঁটাও কঠিন হয়ে পড়েছে। তড়িঘড়ি করে জুন ক্লোজিংয়ের মধ্যে বিল নেয়ার উদ্দেশ্যে নিম্নমানের কাজ করায় নতুন রাস্তা ভেঙে গর্ত হয়ে এ অবস্থা হয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান। ইসলামনগর জয়নগরের নতুন রাস্তাটিও মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে বিভিন্ন স্থানে ভেঙে গেছে।
এদিকে ঠিকাদারদের অভিযোগ, ইঞ্জিনিয়ার অফিসে অতিরিক্ত ঘুষ দিতে হয় বলে কাজ খারাপ করা ছাড়া উপায় নেই। ঘুষ দিলে কাজ সঠিক হয় আর না দিলে সঠিক হয় না বলে ফাইল আটকে দেয়া হয়।
জয়নগর রাস্তার ঠিকাদার এমআর এন্টারপ্রাইজের ধনঞ্জয় ঘোষ অভিযোগ করেন, শতভাগ কাজ শেষ করার পর বিল নিতে গেলে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করে এ অফিস। আগের বিলে ৩ লাখ টাকা দিয়েছি। এবার না দেয়ায় বিল থেকে টাকা কেটে রাখে। একই অভিযোগ করেন ইসলামনগর মীর বাড়ি থেকে কাংশা চৌরাস্তা সড়কের ঠিকাদার টুইন ট্রেড এন্টারপ্রাইজের সাব ঠিকাদার আবুল কাসেম।
