তৈরি পোশাক খাতের চেয়ে অভিবাসী খাতে ২ বিলিয়ন ডলার বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হয়েছে। ২০১৫ সালে তৈরি পোশাক খাতে ২৫ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে বলা হয়। কিন্তু তুলা, সুতা, কাপড়, কাঁচামাল ইত্যাদি খাত বাদ দিলে প্রকৃত আয় দাঁড়ায় ১৩ বিলিয়ন ডলার। অথচ একই বছরে অভিবাসন খাতে আয় ১৫ বিলিয়ন ডলার।
শনিবার রাজধানীর গুলশানে আয়োজিত বাজেট ও শ্রম-অভিবাসন শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানায় ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি নামের একটি সংগঠন। গবেষণামূলক প্রবন্ধে তথ্যগুলো জানানো হয়েছে।
প্রবন্ধটি উপস্থাপন করেন সংগঠনটির চেয়াম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
তিনি বলেন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে অভিবাসন খাতের অবদান বেশি হলেও পৃষ্ঠপোষকতা এখানে কম। গার্মেন্ট খাতে বিভিন্ন সুবিধা দেয়া হলেও প্রবাসীরা পান না।
কিরণ বলেন, প্রতি বছর ৫ লাখ লোক বিদেশে গেলেও ৯০ ভাগ বৈশ্বিক চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষিত নয়। তাই অভিবাসীদের পর্যাপ্ত দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। ফিলিপাইন কেবল দক্ষ জনশক্তি রফতানি করে প্রতি বছর ২৬ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে। তাই আমাদেরও সে পথেই এগুতে হবে।
আলোচনা সভার আয়োজন করে ডিবেট ডেমোক্রেসি।
