রাজধানীতে শুরু হয়েছে বনলাইন শিল্পী লায়লা আহমেদের একক বনসাই প্রদর্শনী। শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনিস্টিটিউটের ২ নং গ্যালারিতে প্রদর্শনী উদ্ধোধন করেন উদ্ভিদ বিজ্ঞানী অধ্যাপক ‘দ্বিজেন শর্মা’।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন নিসর্গী কথা সাহিত্যিক অধ্যাপক ‘বিপ্রদাশ বড়ুয়া’ এবং রেডিয়েন্ট বনসাই সোসাইটির সভাপতি গুলসান নাসরীন চৌধুরী ও প্রকৃতিবীদ মোকারম হোসেন তরু পল্লব সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক।
শনিবার শুরু হওয়া এই প্রদর্শনী চলবে সাতদিন। প্রদর্শনীতে প্রায় ২০০ প্রজাতির বনসাই রাখা হয়েছে। তাছাড়া প্রদর্শনীর পাশাপাশি এসব বনসাই বিক্রিরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। প্রদর্শনীতে ৫০০ টাকা থেকে ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত দামের বনসাই রাখা হয়েছে।
সকাল থেকেই দর্শনার্থীর ভীর জমে ওঠে প্রদর্শনীতে। অনুষ্ঠানে রেডিয়েন্ট বনসাই সোসাইটির সভাপতি গুলসান নাসরীন চৌধুরী বলেন যে, যারা শহরে থাকেন তাদের ছোট ছেলেমেয়েদের অনেকেই আমাদের দেশের বিভিন্ন গাছপালা সম্পর্কে তেমন কিছুই জানে না। তাই তাদের এসব গাছপালা সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার ক্ষেত্রে এ প্রদর্শনী খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বনসাই অমূল্য সম্পদ, স্টাইল, সিস্টেম ও বয়সের উপর ভিত্তি করেই এগুলোর দাম নির্ধারণ করা হয়।
তিনি আরো বলেন এর ভবিষ্যৎ খুবই উজ্জ্বল। যদি বনসাই শিল্পী বাড়ানো যায়, তাহলে এগুলো রফতানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। এ প্রদর্শনীতে আগত সকল দর্শনার্থীদের বনসাই তৈয়ারীর কলাকৌশল নিয়ে আলোচনা করছেন বনসাই শিল্পী লায়লা আহমেদ।
লায়লা আহমেদ দেশের শীর্ষস্থানীয় বনসাই সংগঠন রেডিয়েন্ট বনসাই সোসাইটির দপ্তর সম্পাদক।
