ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার গুরত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সামনে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। নিয়মিত টহল দিচ্ছে র্যাব।
বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও আশুগঞ্জ-ভৈরব দ্বিতীয় রেল সেতুসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কাজে কর্মরত বিদেশিদের বাসস্থান এলাকায়ও বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
এই উপজেলায় আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন, আশুগঞ্জ সার কারখানা, গ্যাস মেনিফোল্ড স্টেশন, রুপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি, আশুগঞ্জ গ্যাস কমপ্রেসার স্টেশন, আশুগঞ্জ পদ্মা ওয়েল কোম্পানি, আশুগঞ্জ-ভৈরব মেঘনা নদীর ওপর দুটি রেলসেতু ও একটি সড়ক সেতুসহ ৯টি জাতীয় গুরত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রের এ সব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা অনেকটা অরক্ষিত থাকতেই দেখা গেছে। এই স্থাপনাগুলোর মধ্যে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন ব্যতিত বাকী ৮টি কেপিআই প্রতিষ্ঠানে এতোদিন নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল আনসার ও নিজস্ব নিরাপত্তা প্রহরী। এ সব প্রতিষ্ঠানে জনসাধারণের প্রবেশাধীকার সংরক্ষিত করার কথা থাকলেও তা নিয়ন্ত্রণ করা হয়নি। গুলশান ও শোলাকিয়ায় সন্ত্রাস হামলার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের টনক নড়েছে। শুধু আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন, মেঘনা নদীর ওপর নির্মানাধীন দুটি রেলসেতু ও একটি সড়ক সেতু এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও র্যাবের টহল বাড়ানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে আশুগঞ্জ সার কারখানার উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল বাক্কী জানান, কারখানা ও কলোনি এলাকায় প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত করা হয়েছে। প্রতিটি গেটে নিজস্ব নিরাপত্তা প্রহরীর পাশাপাশি অস্ত্রধারী অতিরিক্ত আনসার মোতায়েন করা হয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহরিয়ার আল মামুন জানান, প্রতিটি কেপিআই প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
