খুলনায় নিখোঁজ ৭ যুবকের সন্ধানে পুলিশ

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০১৬, ১৭:০৫
খুলনায় নিখোঁজ ৭ যুবকের সন্ধান করছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ । তবে নিখোঁজ ৭ যুবকের কেউ জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিনা তা নিশ্চিত নয় পুলিশ।
 
এ ছাড়া নগরীর তালিকাভুক্ত ২৫  জঙ্গির ওপর নজরদারি  বাড়িয়েছে পুলিশ । এদের মধ্যে কয়েকজন জেলে রয়েছেন। রাজধানীর গুলশানের আর্টিজান রেস্তোরাঁ এবং কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় সন্ত্রাসী হামলার পর খুলনা থেকে নিখোঁজ তরুণদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহে  মাঠে  নামে পুলিশ।
 
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) ও জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, নগরীর খালিশপুর ও সোনাডাঙ্গা থানা এলাকার দুইজন, দৌলতপুর থানায় চারজন এবং কয়রা উপজেলার একজন  নিখোঁজ রয়েছেন । এর মধ্যে খালিশপুর এলাকার বাসিন্দা মাসুদ রানা (২৭) নগরীর সদর থানার জিন্নাহপাড়া  এলাকায় ‘লিফট’ নামে একটি কোচিং সেন্টার পরিচালনা করতেন। গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই তিনি নিখোঁজ আছেন। খালিশপুর থানার মুজগুন্নি কাজীপাড়া এলাকার কাজী আতিয়ার রহমানের ছেলে কাজী মো. শাওন (২৬)  গত ১৫ মার্চ এবং  মুজগুন্নি এলাকার  জহিরুল  হকের ছেলে সাইদুর রহমান (১৯) ১৪ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ রয়েছে। দৌলতপুর থানার পাবলা সবুজ সংঘ মাঠ এলাকার মনির হোসেনের (৩৫) গত ২৩ এপ্রিল থেকে কোন খোঁজ নেই। এ ছাড়া মহেশ্বরপাশা শিশু পরিবারের মৃত নূর ইসলামের ছেলে জাকির হোসেন (১৭),  মৃত আব্দুল জব্বারের ছেলে ইলিয়াস মোল্লা (১৫) এবং দৌলতপুর পাবলা কারিকরপাড়ার সাইদুর  রহমানের ছেলে খন্দকার সোহেল সুলতান (২৫) নিখোঁজ রয়েছে। এরা কোন ধরনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল কি না না পুলিশ সে বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। এছাড়া নগরীর তালিকাভুক্ত ২৫  জঙ্গির ব্যাপারে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।
 
কেএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু জানান, গত ৬ জুলাই পুলিশ সদর দপ্তরের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে নগরীর সদর সোনাডাঙ্গা, খালিশপুর দৌলতপুর, খানজাহান আলী, আড়ংঘাটা, লবণচরা ও হরিণটানা থানায় দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ তরুণ ও যুবকদের তথ্য সংগ্রহ করার কাজ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত সাতজন যুবক নগরী থেকে নিখোঁজ রয়েছে বলে খোঁজ পাওয়া গেছে।  এগুলোর বিষয়ে তদন্ত করা  হচ্ছে। তাদের রাজনৈতিক পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
 
তিনি বলেন, নগরীর তালিকাভুক্ত ২৫  জঙ্গির ওপর নজরদারি  বাড়ানো  হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকজন জেলে রয়েছেন। তাদের সাথে বিভিন্ন সময় দেখা করতে আসা দর্শনার্থীদের ওপরও নজর রয়েছে পুলিশের।