টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় কৃষক তারা মিয়া (৫০) হত্যার রহস্য উন্মোচন হয়েছে।
পুলিশ জানায়, রবিবার হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী এক নারীসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে আসামিরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এরা হলেন, মূল পরিকল্পনাকারী কান্ঠালিয়া গ্রামের সুবল সুত্রধরের স্ত্রী আলোরানী (৪৫), একই গ্রামের পংকজ সুত্রধর (২৩), কাইচতারা গ্রামের জাকির হোসেন(৩৪), পাহাড়পুর গ্রামের বাবু মিয়া(২৬), মুসলিমপাড়া গ্রামের শামসুল হক(৬৫) এবং ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগঞ্জ গ্রামের জাহিদ(৩৫)।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নুর মোহাম্মদ বলেন, ‘তারা মিয়ার বাবার নাম ফইজ উদ্দিন বেপারি। গ্রামের বাড়ি মির্জাপুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের বান্দাচালা গ্রামে। তিনি মির্জাপুর পৌরসভার পাহাড়পুর গ্রামের আসাদ মিয়ার মেয়ের জামাই। গত ১০ বছর ধরে স্ত্রী সন্তান নিয়ে শ্বশুর বাড়িতে ঘর জামাই হিসেবে থাকতেন। সেখানে তিনি প্রতিবেশী আলোরানী সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলেন। আলোরানী বিয়ের জন্য চাপ দিলে তারা মিয়া তাতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে আলোরানী তাকে ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে হত্যা করে। পুলিশ স্থানীয়দের খবরে পৌর এলাকায় দুর্গাপুর গ্রামের পরিমল সাহার কলাবাগান থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়। ঘটনায় জড়িত অভিযোগে আলোরানীকে গ্রেফতার করা হয়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকি চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।’
