নবীনগরে মেঘনার ভাঙন অব্যাহত আতঙ্কে স্থানীয়রা

আপডেট : ২২ জুলাই ২০১৬, ০২:০৭
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের নদী তীরবর্তী এলাকার ধরাভাঙা, নূরজাহানপুর, সোনাবালুয়ার শত শত একর ফসলি জমি ও বসত ভিটে মেঘনা নদীর গর্ভে বিলীন হচ্ছে। এ চিন্তায় নদীপাড়ের বাসিন্দারা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন। গত কয়েক দশক ধরেই চলছে ভাঙন খেলা। এ খেলায় ওই গ্রামের বহু কৃষিজমি, ঘরবাড়ি ও অসংখ্য গাছপালা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
 
উপজেলার মেঘনা তীরবর্তী অঞ্চলগুলোতে ৫ গ্রামের ১৫ হাজার বাসিন্দা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে। ভাঙন কবলিত এলাকাগুলোর মধ্যে নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের চিত্রি, নবীপুর ও চরলাপাং, বীরগাঁও ইউনিয়নের বাইশমৌজা, নজরদৌলত, কেদারখোলা ও দাসকান্দি, বড়িকান্দি ইউনিয়নে ধরাভাঙা, মুক্তারামপুর, নূরজাহানপুর, সোনাবালুয়া ও এমপিটিলা এবং শ্রীঘর, কান্দাপাড়া উল্লেখযোগ্য।
 
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নদী ভাঙনের কবল থেকে এলাকাবাসীকে রক্ষা করতে বড়িকান্দি এলাকায় ২০০৯-১০ অর্থবছরে প্রায় ছয়শ’ মিটার একটি বাঁধ নির্মাণ করা হয়। সেই বাঁধটির অনেকাংশ ইতোমধ্যে ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। পশ্চিম দিকের অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে।
 
ধরাভাঙা গ্রামবাসী জানান, বর্ষাকালে নদীর উত্তাল ঢেউয়ে আমাদের গ্রামের অনেক জমি বহু আগেই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।
 
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল্লাহ বলেন, কিভাবে মেঘনা পাড় ভাঙন রোধ করা যায়, সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।